রোববার মাউশির এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ মাউশির নাম, পরিচিতি, লোগো বা প্রতীক ব্যবহার করে অননুমোদিত ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ পরিচালনা করছেন। এসব প্ল্যাটফর্মে মাউশির দাপ্তরিক কার্যক্রমসংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর তথ্যের পাশাপাশি অশালীন, মানহানিকর ও রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্যও প্রকাশ করা হচ্ছে।
এর ফলে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং মাউশির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
একটি ফেসবুক পেজই অফিসিয়ালমাউশি জানিয়েছে, ‘Directorate of Secondary and Higher Education-DSHE’ নামের ফেসবুক পেজটিই তাদের একমাত্র অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ। এর বাইরে মাউশির নামে পরিচালিত অন্য কোনো ফেসবুক পেজ বা গ্রুপকে অনুমোদিত নয় বলে স্পষ্ট করা হয়েছে।
অফিসিয়াল নয়—এমন পেজ ও গ্রুপে প্রকাশিত কোনো তথ্য বা বক্তব্যের দায় মাউশি বহন করবে না বলেও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।
সতর্কতা ছাড়াই আইনি ব্যবস্থামাউশির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে অননুমোদিত পেজ ও গ্রুপগুলোর সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কার্যক্রম বন্ধ না হলে অতিরিক্ত কোনো সতর্কতা ছাড়াই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাউশির নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বন্ধ এবং অধিদপ্তরের দাপ্তরিক পরিচয়ের অপব্যবহার রোধেই এ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক