ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে নগরীতে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। অবিরাম বৃষ্টিতে নগরীর সড়ক ও খাল পানিতে তলিয়ে গেছে। খাল ও সড়কের পাশের বহু বাড়িঘর ও দোকানেও পানি ঢুকে পড়েছে।
বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে ব্যাংককের প্রধান সড়কগুলো পানিতে ডুবে থাকতে দেখা গেছে। পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় চলাচল করতে না পেরে বিভিন্ন স্থানে গাড়ি রাস্তায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
পূর্বাঞ্চলে বেশি ক্ষয়ক্ষতিগভর্নর চাদচার্ট বলেন, ব্যাংককের পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবারও আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃষ্টি থেমে গেলে দ্রুত পানি কমে আসবে বলে আশা করছেন তিনি।
নগর কর্তৃপক্ষ দ্রুত বন্যার পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় চাদচার্ট বলেন, বৃষ্টি থামছে না এবং কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। পানি পাম্প করে বের করার চেষ্টা করা হলেও খালগুলো পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়েছে। খালের আশপাশে বসবাসকারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন করে বৃষ্টি না হলে পানি পুরোপুরি নেমে যেতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে। বাসিন্দাদের গাড়ি নিরাপদ ও উঁচু স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গভর্নর।
আরও বৃষ্টির আশঙ্কাথাইল্যান্ডের দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন বিভাগ জানিয়েছে, রোববার পর্যন্ত দেশটির পূর্ব, উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে নিম্নচাপের প্রভাব থাকতে পারে। এর ফলে আকস্মিক বন্যা, পাহাড়ি ঢল, ভূমিধস এবং নদীর পানি উপচে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক