বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে ইব্রাহিম হোসেন রনি এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ভিপি হিসেবে আপ্যায়ন, চা-নাস্তা, যাতায়াতসহ আনুষঙ্গিক খাতে তাকে ৪ লাখ টাকা বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে ওই বরাদ্দের কোনো অর্থ তিনি ব্যক্তিগতভাবে ব্যয় করেননি। পুরো অর্থই জমা রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রয়োজন বিবেচনায় বরাদ্দের অর্থ ডিপ ফ্রিজ কেনার কাজে ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান চাকসু ভিপি। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হল, হোস্টেল এবং সূর্যসেন হলের ছাত্রী ব্লকসহ মোট ১১টি আবাসিক স্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরে ডিপ ফ্রিজের সংকট রয়েছে।
ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, অনেক শিক্ষার্থী বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসেন। কিন্তু খাবার সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় তাদের দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় খাবার সংরক্ষণ করতে না পেরে অনেক সময় তা নষ্ট হয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে।
এ সমস্যা সমাধানে নিজের বরাদ্দের অর্থ থেকে ৯টি হল, ১টি হোস্টেল ও ১টি হলের ছাত্রী ব্লকে মোট ১১টি ডিপ ফ্রিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব নিজের বরাদ্দের অর্থে পাঁচটি ছাত্রী হলে পাঁচটি ডিপ ফ্রিজ দেওয়ার উদ্যোগ নেন। এছাড়া ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনও পাঁচটি ছাত্রী হলে পাঁচটি ডিপ ফ্রিজ দিয়েছেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক