ছয় মাসে রেলওয়ের আয় বেড়েছে ২২৫ কোটি টাকা

  • প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২১ রাত
  • ২৩৮৫ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত।
পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কমানো এবং আয় বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে গত ছয় মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় ২২৫ কোটি টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। একই সময়ে রেলওয়ের লোকসানও ২২৫ কোটি টাকা কমেছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য লুৎফুর রহমানের (কক্সবাজার-৩) এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

শেখ রবিউল আলম বলেন, গত ছয় মাসে বাংলাদেশ রেলওয়ে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২৫ কোটি টাকা বেশি আয় করেছে। ফলে লোকসানও একই পরিমাণ কমেছে। চলতি বছরে রেলওয়ের লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রেলওয়ের আর্থিক বোঝা কমাতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের অনেক রেললাইন ১৯৩০, ১৯৪০ ও ১৯৭০-এর দশকে স্থাপিত। পুরোনো মিটারগেজ রেললাইনগুলোর কারণে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়েছে। বিশেষ করে কিছু রেলওয়ে সরঞ্জামের যন্ত্রাংশ এখন সহজে পাওয়া যায় না। এসব কারণে ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার রুটে বাড়বে ট্রেন

লাভজনক কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ রুটে যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তবে ইঞ্জিন ও কোচের সংকটের কারণে বর্তমানে মাত্র দুই জোড়া ট্রেন চলাচল করছে।

ইঞ্জিন ও কোচ সংগ্রহের জন্য সরকার ইতোমধ্যে দুটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই এসব সংগ্রহ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কক্সবাজার রুটে বেসরকারি খাতে ট্রেন পরিচালনার জন্য সরকার বেশ কয়েকটি প্রস্তাব পেয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। এসব প্রস্তাব পর্যালোচনা ও বিবেচনা করা হচ্ছে। বেসরকারি খাতের উদ্যোগেও অল্প সময়ের মধ্যে এ লাভজনক রুটে ট্রেনসেবা বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

১০ জেলায় নতুন রেল যোগাযোগের পরিকল্পনা

বিরোধীদলীয় (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মারজিয়া বেগমের (সংরক্ষিত নারী আসন-৩৮) এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে জাতীয় রেলওয়ে নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা ১৫টি জেলার মধ্যে ১০টি জেলায় নতুন রেল যোগাযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের ৪৯টি জেলায় রেল যোগাযোগ রয়েছে। বাকি ১৫টি জেলার মধ্যে ১০টিতে নতুন রেল সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্মীপুর ওই ১০ জেলার একটি।

প্রস্তাবিত ১০ জেলার মধ্যে মানিকগঞ্জসহ পাঁচটি জেলায় সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। লক্ষ্মীপুরের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজও শুরু হয়েছে। সমীক্ষা শেষে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার ক্ষেত্রে নির্ধারিত ১০ জেলার মধ্যে লক্ষ্মীপুর অগ্রাধিকার পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহণ সহজ করতে রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণকে সরকার গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছে বলেও জানান তিনি।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad