বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত কার্যক্রম চলাকালে দুপুরের পর ইমিগ্রেশনের প্রধান সার্ভারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ায় কাউন্টারে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সাময়িকভাবে পাসপোর্ট যাচাই ও সিল দেওয়ার কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হন।
এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই বহির্গমন ও আগমনী কাউন্টারগুলোর সামনে শত শত যাত্রীর ভিড় জমে যায়। দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করে অনেক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কাজী মারুফ এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি সার্ভার বিকলের কারণে বিমানবন্দরের কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়ার কথা তুলে ধরেন এবং কোনো কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় প্রশ্ন তোলেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও ইমিগ্রেশন পুলিশ ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কিছু কার্যক্রম চালু রাখার চেষ্টা করে। তবে এতে যাত্রীদের জট আরও বাড়তে থাকে।
ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্র জানায়, সাধারণত এক শিফট থেকে অন্য শিফটে দায়িত্ব হস্তান্তরে ৫ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগে। তবে সার্ভারের ত্রুটির কারণে এবার প্রায় আধাঘণ্টা সময় লেগেছে। ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর দ্রুত প্রকৌশলী দল কাজ শুরু করে। প্রায় ৩০ মিনিট পর সার্ভার পুনরায় সচল হয়।
সার্ভার স্বাভাবিক হওয়ার পর জমে থাকা যাত্রীদের দ্রুত ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

মোঃ রায়হান চৌধুরী,(নিজস্ব প্রতিবেদক)