বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিটি স্বর্ণের বারের ওজন ১১৬ দশমিক ৬৪ গ্রাম।
এনবিআর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাত ৯টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসা ফ্লাই দুবাইয়ের এফজেড৫২৩ নম্বর ফ্লাইটে তল্লাশি চালানো হয়। তখন বিমানে কোনো যাত্রী ছিলেন না।
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে তল্লাশির একপর্যায়ে বিমানের ১৯-এ নম্বর আসনের নিচে কালো স্কচটেপে মোড়ানো কিছু বস্তু পাওয়া যায়। পরে সেগুলো কাস্টমস হলে নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে ইনভেন্টরি করা হলে ৮০টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়।
এনবিআর বলেছে, সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজের সিটের নিচে অত্যন্ত কৌশলে স্বর্ণের বারগুলো লুকানো ছিল। সরকারি নির্ধারিত শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে এসব স্বর্ণ দেশে আনা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে যেকোনো পথে এসব স্বর্ণ বিমানবন্দরের বাইরে পাচারের আশঙ্কা ছিল।
ঢাকা কাস্টমস হাউস ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে স্বর্ণ চোরাচালান প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
স্বর্ণ জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছেউদ্ধার করা স্বর্ণের বারগুলো মূল্যবান হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর কাস্টমসের মূল্যবান গুদামে জমা করা হয়েছে। অখালাসকৃত বা চোরাচালানের অভিযোগে আটক ও বাজেয়াপ্ত পণ্যের নিষ্পত্তি পদ্ধতি সংক্রান্ত স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী, মূল্যবান ধাতু হিসেবে এসব স্বর্ণ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
বিমানবন্দর থানায় মামলাএ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।
এনবিআর জানিয়েছে, দেশীয় অর্থনীতি সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে ঢাকা কাস্টমস হাউসের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ধরনের নজরদারি ও অভিযানও নিয়মিত চালানো হবে।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক