আমার দেশ অনলাইন
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার এবং ‘আগ্রাসন প্রতিহত করার’ লক্ষ্য নিয়ে ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) ‘সুপার গারুদা শিল্ড’ নামে পরিচিত এই মহড়া শুরু হয়।
ইন্দোনেশিয়া নিজেদের পররাষ্ট্রনীতিকে ‘স্বাধীন ও সক্রিয়’ হিসেবে বর্ণনা করে। দেশটি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে কূটনৈতিকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান অনুসরণ করে আসছে।
চলতি মাসেই চীনের সঙ্গে একটি যৌথ নৌ মহড়ায় অংশ নেয় ইন্দোনেশিয়া। ওই মহড়াকে ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সমালোচনা করেছিল তাইওয়ান।
ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের কয়েকটি মিত্র দেশ প্রায় দুই দশক ধরে ‘সুপার গারুদা শিল্ড’ নামে এই বার্ষিক সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়ে আসছে। এবারের মহড়াতেও অংশ নিচ্ছে কয়েকটি মিত্র দেশ।
মহড়ায় যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৪ হাজার ৭০০ সেনাসদস্য অংশ নিচ্ছেন। ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও বোর্নিও দ্বীপসহ বিভিন্ন এলাকায় আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ মহড়া চলবে।
মহড়ায় অংশ নেওয়া দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জাপান রয়েছে। এ ছাড়া পূর্ব তিমুর, ইতালি ও থাইল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশ পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে নিয়মিতভাবে এই সামরিক মহড়া আয়োজন করা হয়। এবারের মহড়ার মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সামরিক সক্ষমতা ও পারস্পরিক সমন্বয় আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মোঃ রায়হান চৌধুরী,(নিজস্ব প্রতিবেদক)