জুলাইয়ে নতুন বৈদেশিক ঋণ ১৮০ মিলিয়ন ডলার, পরিশোধ ৪৫৩ মিলিয়ন

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বাংলাদেশ নতুন করে যে পরিমাণ বৈদেশিক ঋণ পেয়েছে, তার দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ আগের ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধে ব্যয় করেছে। এ মাসে ১৮০ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ ছাড় হলেও আগের নেওয়া ঋণের কিস্তি, সুদ ও আসল বাবদ বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হয়েছে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার।

অর্থাৎ জুলাইয়ে নতুন ঋণ হিসেবে পাওয়া অর্থের চেয়ে ২৭৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন ডলার বেশি পরিশোধ করেছে সরকার।

রোববার প্রকাশিত অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী বাংলাদেশের অনুকূলে ১৮০ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ ছাড় করেছে। এর বিপরীতে আগের ঋণের কিস্তি, সুদ ও আসল মিলিয়ে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। ফলে নতুন বৈদেশিক অর্থায়ন পাওয়ার তুলনায় পুরোনো ঋণের দায় পরিশোধেই বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে।

এদিকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে বাংলাদেশ ২০৮ দশমিক ০৪ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ পেয়েছিল। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড় কমেছে ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

অন্যদিকে, গত অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ঋণের সুদ ও আসল বাবদ বাংলাদেশ পরিশোধ করেছিল ৪৪৬ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার। এক বছরের ব্যবধানে ঋণ পরিশোধের এই ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড়ের তুলনায় পুরোনো ঋণের দায় পরিশোধের পরিমাণ বেশি হওয়া দেশের বৈদেশিক অর্থায়নের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। বিশেষ করে পুরোনো ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের চাপ ক্রমাগত বাড়তে থাকলে একদিকে উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন অর্থায়ন, অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় এর প্রভাব পড়তে পারে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad