স্বল্পমেয়াদি সুকুকে বিনিয়োগে রেকর্ড আগ্রহ, ৫ হাজার ৫০০ কোটির বিপরীতে আবেদন ৫৬ হাজার কোটি টাকা

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৮ জুন ২০২৬, ১১:২৪ রাত
  • ২৮০৯৪ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

বাংলাদেশ সরকারের প্রথম স্বল্পমেয়াদি ইসলামিক বন্ড (সুকুক) ইস্যুতে বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক সাড়া মিলেছে। ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার এই সুকুকের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৫৬ হাজার ৬০৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকার, যা ইস্যু মূল্যের প্রায় ১০ দশমিক ২৯ গুণ। অতিরিক্ত চাহিদার কারণে সব আবেদনকারীকে আনুপাতিক হারে সুকুক বরাদ্দ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ২৭৩ দিন মেয়াদি এই সুকুকের নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এটি দেশের প্রথম স্বল্পমেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট সুকুক (বিজিআইএস)। বার্ষিক ৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ মুনাফা (ভাড়া) হারে ইস্যুকৃত এ সুকুক থেকে সংগৃহীত অর্থ ‘অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২’-এ ব্যয় করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রচলিত ব্যাংকের ইসলামিক উইন্ডো, বিভিন্ন প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা নিলামে অংশ নেন। ব্যক্তি বিনিয়োগকারী, প্রভিডেন্ট ফান্ড, মিউচুয়াল ফান্ড, ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্সসহ বিভিন্ন শ্রেণির মোট ৭২৭টি সফল বিডের বিপরীতে প্রায় ৮৭ দশমিক ৩৭ কোটি টাকার সুকুক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, দীর্ঘমেয়াদি সুকুকের পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি সুকুক চালুর ফলে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তারল্য ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে। ব্যাংকগুলো তাদের ধারণকৃত সুকুক বিধিবদ্ধ তারল্য সংরক্ষণ (এসএলআর) হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে। পাশাপাশি এসব সুকুক জামানত রেখে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকস লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটি (আইবিএলএফ) থেকে প্রয়োজনীয় তারল্য সহায়তা গ্রহণের সুযোগও পাবে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আগামী ২৯ জুন থেকে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রচলিত ব্যাংকের ইসলামিক উইন্ডো, বীমা কোম্পানি এবং ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা সেকেন্ডারি মার্কেটে এ সুকুক কেনাবেচা করতে পারবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম স্বল্পমেয়াদি সুকুকের নিলামে রেকর্ড পরিমাণ আবেদন দেশের ইসলামিক বিনিয়োগ ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ও আগ্রহ বৃদ্ধির স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করছে। একই সঙ্গে এটি শরিয়াহভিত্তিক আর্থিক খাতের বিকাশ এবং সরকারি অর্থায়নের বিকল্প উৎস সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad