ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতি, নাকি সমঝোতার পথে ট্রাম্প?

  • প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৭ দুপুর
  • ৯৭৬৯ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার আশঙ্কায় আয়োডিন ট্যাবলেট বিতরণ, কেশব দ্বীপে ফের মার্কিন আঘাত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানবিষয়ক বক্তব্যে একদিকে নতুন সামরিক হামলার হুমকি, অন্যদিকে আলোচনায় অগ্রগতির দাবি—দুই ধরনের অবস্থানই দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে শুক্রবার ইরানের কেশব দ্বীপে আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, সম্ভাব্য নতুন হামলার আশঙ্কায় পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আয়োডিন ট্যাবলেট বিতরণ শুরু করেছে তেহরান। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে নতুন করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কি না ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয় এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন জনগণের অসন্তোষের কথা স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইরানের বাকি অংশ ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এ বিষয়ে তিনি কী পদক্ষেপ নেবেন, তা শিগগিরই জানা যাবে বলেও মন্তব্য করেন।

শুক্রবার ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্প এসব হামলাকে ‘ছোটখাটো হামলা’ বলে উল্লেখ করেন। একই দিন ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, হরমুজ প্রণালির কেশব দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে হামলার কথা স্বীকার করার পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

পর্যবেক্ষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিজেদের দাবিতে অনড় রয়েছে ইরান। অন্যদিকে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধাক্কা খাওয়ায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া নিয়েও অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে পড়েছেন ট্রাম্প। ফলে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখা নাকি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো—এ দুই পথের মধ্যে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে তাঁকে।

আলোচনা চলছে, দাবি কাতারের

শুক্রবার একাধিকবার ইরানের সঙ্গে আলোচনার কথা জানান ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা এখন তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়।’ তবে আলোচনার অগ্রগতি বা সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

শনিবার কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে বলে ছড়িয়ে পড়া দাবি নাকচ করেন। তাঁর ভাষ্য, এ ধরনের প্রচারণা শুধু তাদেরই উপকারে আসে, যারা যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চায়।

কেশব দ্বীপে কেন বারবার হামলা

শুক্রবার কেশব দ্বীপে সামরিক হামলার কথা স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দ্বীপটির সুজা এলাকায় দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেও সেখানে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন ওই হামলাকে ‘আত্মরক্ষামূলক’ বলে বর্ণনা করে।

কেশব দ্বীপ ইরানের অন্যতম প্রধান নৌঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ভূগর্ভস্থ স্থাপনা রয়েছে, যেগুলো ‘মিসাইল সিটি’ নামে পরিচিত।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হচ্ছে। সোমবার নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) বলেন, মার্কিন সামরিক সম্পদ লক্ষ্য করে ইরান যাতে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে না পারে, সে উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, দেশটির সেনাবাহিনী কেশব দ্বীপের আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন শনাক্ত করে ভূপাতিত করার দাবি করেছে। দ্বীপটিতে বিস্ফোরণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সামরিক কমান্ড সেন্টকম জানায়, সেখানকার পরিস্থিতি ‘তুলনামূলক শান্ত’ রয়েছে।

পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা

ইরান আশঙ্কা করছে, দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলো আবারও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এ কারণে স্থাপনাগুলোর আশপাশে বসবাসকারীদের মধ্যে আয়োডিন ট্যাবলেট বিতরণ করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, ‘ট্রাম্পকে আর বিশ্বাস করা যায় না। তিনি এই অপরাধ করে বসতে পারেন।’ ওই কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি যুদ্ধের সময় পারমাণবিক স্থাপনার দুই থেকে তিন কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বসবাসকারীদের কাছে আয়োডিন ট্যাবলেট পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে ইরান। পারমাণবিক বিকিরণের প্রভাব থেকে থাইরয়েড গ্রন্থিকে সুরক্ষা দিতে এসব ট্যাবলেট ব্যবহার করা হয়।

দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সম্প্রতি এক ব্রিফিংয়ে ইরানি কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে, দেশটির পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। পাহাড়টির নিচে বিশাল সুড়ঙ্গ ও বিভিন্ন স্থাপনার জটিল নেটওয়ার্ক রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এটি ইরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত স্থাপনাগুলোর একটি।

এ ছাড়া ইরানের সংবাদ সংস্থা ইয়ং জার্নালিস্টস ক্লাব শুক্রবার জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় বুশেহর শহরের বাসিন্দাদের মধ্যেও আয়োডিন ট্যাবলেট বিতরণ করছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। এই শহরেই ইরানের একমাত্র সচল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি শুক্রবার ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে তথ্যের বিনিময়ে সর্বোচ্চ দুই কোটি ডলার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির পারমাণবিক স্থাপনা, সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে। তথ্যদাতাদের প্রয়োজনে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও রাখার কথা জানিয়েছে কর্মসূচিটি।

অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ইরানের শর্তে চাপে ট্রাম্প

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও তেহরানের কৌশল। মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে রিপাবলিকানরা। এ পরাজয়ের পেছনে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া নিয়ে নিজ দলের ভেতরেও বিরোধিতার মুখে পড়েছেন ট্রাম্প।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং শান্তি আলোচনা শুরুর আগে ইরানের শর্ত মেনে নিতে দীর্ঘদিন ধরে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন তিনি। ইরানের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা সম্পদ ছেড়ে দেওয়া, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ভবিষ্যতে হামলা না চালানোর নিশ্চয়তা।

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বৈজ্ঞানিক ও কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্রের উপপরিচালক হাসান আহমাদিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরান প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। এতে ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজ নিজ দেশে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়েছেন। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাতে তাঁদের বিকল্পও সীমিত হয়ে এসেছে।

আহমাদিয়ানের মতে, ইরান পাল্টা হামলার পরিধি আরও বাড়ানোর হুমকি দিচ্ছে। পরবর্তী হামলার লক্ষ্যবস্তু উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরের দেশও হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান। সীমিত পরিসরে হামলা চালালে পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, সে বিষয়ে ট্রাম্পের স্পষ্ট ধারণা নেই। এ অনিশ্চয়তা তাঁর ব্যক্তিগত দ্বিধা বাড়াচ্ছে এবং ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের মধ্যেও মতবিভক্তি তৈরি করেছে।

তিনি মনে করেন, এর অর্থ এই নয় যে ট্রাম্প ইরানে হামলা চালাবেন না। তবে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কী লাভ হবে এবং কীভাবে সম্মানজনকভাবে পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসা যাবে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত হতে চান। একই সঙ্গে ইরানের পাল্টা হামলা যেন বড় পরিসরের যুদ্ধে রূপ না নেয়, সেটিও তাঁর বিবেচনায় রয়েছে।

নতুন হামলার প্রস্তুতি, পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবারও শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে সেন্টকম। এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে তারা।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে যুদ্ধ শুরু করলে আগের চেয়ে বড় পরিসরে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মহাকাশবাহিনীর কমান্ডারের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার একজন মুখপাত্র বলেন, নতুন করে আগ্রাসন চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলায় সহায়তা করে—এমন যেকোনো দেশ বা শক্তি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।

এর আগে ইরান সতর্ক করে বলেছে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে থাকা কেবল নেটওয়ার্ক, তথ্যকেন্দ্র এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-সংক্রান্ত স্থাপনাতেও হামলা চালানো হতে পারে।

কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত

পাল্টাপাল্টি হুমকির মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। বৃহস্পতিবার কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন পারমাণবিক ও শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন তেহরানের সাতটি দাবি মেনে নেওয়ার পরই কেবল নতুন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে। রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে।

সাবেক ইরানি কূটনীতিক হাদি আফগাহি আলজাজিরাকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নমনীয় হলে সমঝোতার পথ সহজ করতে পারে তেহরান। তাঁর মতে, ট্রাম্প আসলে যুদ্ধ চান না; কারণ নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে তাঁকে আরও বেশি মূল্য দিতে হবে। তবে ট্রাম্পের আশপাশে যুদ্ধের পক্ষে থাকা একদল কট্টরপন্থি রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীও রয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জাসিম আল থানি শুক্রবার অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক উন্মুক্ত আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করার জন্য দুই দেশের ‘নিখুঁত মুহূর্তের’ অপেক্ষায় থাকা উচিত নয়।

সব মিলিয়ে, ইরানে নতুন সামরিক অভিযান শুরুর আশঙ্কা এবং কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা—দুই পথই এখন খোলা রয়েছে। ট্রাম্প কোন পথ বেছে নেবেন, তা নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক চাপ, তেহরানের শর্ত এবং সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের পরিণতি নিয়ে তাঁর হিসাব-নিকাশের ওপর।

তথ্যসূত্র: আলজাজিরা, ৮ নভেম্বর ২০২৬; দ্য টাইমস, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, রয়টার্স, অ্যাক্সিওস, আইআরএনএ, আইআরআইবি ও ইয়ং জার্নালিস্টস ক্লাবের প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad