মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুমন মিয়া আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেন। তবে সরবরাহ করা প্রতিবেদনে রোববারের শুনানি শেষে আদালত কত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন, তা নিয়ে তথ্যগত অসংগতি রয়েছে। শিরোনামে দুই দিনের রিমান্ডের কথা বলা হলেও পরবর্তী অংশে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়ার উল্লেখ রয়েছে।
এর আগে গত ২১ অক্টোবর এ মামলায় দিলীপ আগরওয়ালাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তাঁর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই রিমান্ড শেষে তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
মানিলন্ডারিং মামলায় গ্রেপ্তারপ্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। পরে তাঁকে বিভিন্ন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
এরপর ২০২৬ সালের ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় বনানী এলাকা থেকে মানিলন্ডারিং মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে জুলাই আন্দোলনে হত্যাচেষ্টা মামলাতেও তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মামলার অভিযোগমামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শেষ দিনে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বিএনএস সেন্টারের সামনে গুলিবিদ্ধ হন আ. জব্বার। তিনি ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
পরে কিছুটা সুস্থ বোধ করলে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ আ. জব্বার বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়। দিলীপ কুমার আগরওয়ালা এ মামলার এজাহারভুক্ত ৩১ নম্বর আসামি।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক