পুলিশের একজন অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত ডিআইজি) মালিকানাধীন বাড়িতে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, লুণ্ঠন ও ডাকাতির বিস্তার এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব মন্তব্য করেন জামায়াতের আমির।
স্ট্যাটাসে ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, বাংলাদেশ পুলিশের একজন অতিরিক্ত ডিআইজির মালিকানাধীন বাড়ি থেকে অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮৪ জন নারী-পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় বাড়িটি থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য উদ্ধারের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
এ ঘটনাকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
চাঁদাবাজি ও জনদুর্ভোগ নিয়ে সমালোচনা
দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে জামায়াতের আমির অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলাবিরোধী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি চাঁদাবাজি, ছিনতাই, লুণ্ঠন ও ডাকাতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। এর সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুৎ-সংকট মানুষের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে।
সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
জনদুর্ভোগ নিরসন ও অপরাধ দমনে সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর অভিযোগ, এসব সমস্যা সমাধান ও অপকর্ম দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরিবর্তে সরকার বিরোধী দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ব্যস্ত।
স্ট্যাটাসের শেষাংশে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তরুণদের আরেকবার জেগে উঠতে হবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক