যাত্রীবেশে উঠে শিক্ষিকাকে অস্ত্রের মুখে ছিনতাই, সিসিটিভিতে মিলল সন্দেহজনক সিএনজি

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ দুপুর
  • ৯৭৪২ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত
বরিশালের বাবুগঞ্জে যাত্রীবেশে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তরা মিতু আক্তার নামে ওই শিক্ষিকার হাত-মুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে স্বর্ণের চেইন, আংটি ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। পরে তাকে শিকারপুর সেতুর ঢালে একটি মাদ্রাসার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার রাকুদিয়া নতুন হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রশিক্ষণে যাওয়ার পথে জিম্মি

মিতু আক্তার বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের ৩০ নম্বর মধ্য রাকুদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তিনি রাকুদিয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম হাওলাদারের মেয়ে।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর সূত্রে জানা যায়, পিটিআই প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে যাওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে বের হন মিতু। সকাল ৮টার দিকে রাকুদিয়া নতুন হাট স্টেশন থেকে বরিশালগামী একটি সিএনজি অটোরিকশায় ওঠেন তিনি। ওই অটোরিকশায় আগে থেকেই কয়েকজন যাত্রীবেশী ব্যক্তি ছিলেন।

কিছুদূর যাওয়ার পর তারা অস্ত্র দেখিয়ে মিতুকে জিম্মি করেন। একপর্যায়ে তার হাত ও মুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন, হাতে থাকা সোনার আংটি এবং হ্যান্ডব্যাগে থাকা নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

সিসিটিভিতে সন্দেহজনক সিএনজি

ছিনতাইয়ের পর দুর্বৃত্তরা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে শিকারপুর সেতুর ঢালে একটি মাদ্রাসাসংলগ্ন স্থানে মিতুকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি বাবুগঞ্জ থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সময়ের ইচলাদী টোল প্লাজার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে একটি সন্দেহজনক সিএনজি অটোরিকশার সন্ধান পাওয়া গেছে।

ওসি আরও জানান, ওই অটোরিকশার সূত্র ধরে ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিকশায় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad