শুক্রবার ভোরে উপজেলার বামন্দী-দেবীপুর সড়কের একটি কালভার্টের কাছে এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইয়ের শিকার চারজনের মধ্যে তিনজনের বাড়ি নওদাপাড়া এবং একজনের বাড়ি দেবীপুর গ্রামে।
বাঁশ ফেলে ভ্যানের গতিরোধভুক্তভোগী সোহান আলী জানান, তারা নওদাপাড়া থেকে ষোলটাকার উদ্দেশ্যে মাছ ধরতে যাচ্ছিলেন। ফজরের আজানের পরপরই দেবীপুর থেকে বামন্দীর সড়কে ঢোকার সময় ছিনতাইকারীরা রাস্তার ওপর বাঁশ ফেলে তাদের ভ্যানের গতিরোধ করে। তাদের হাতে ধারালো হাসুয়া ও লাঠি ছিল।
পরে তাদের মাঠের মধ্যে নিয়ে বেঁধে রেখে দুটি ভ্যান নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। এ সময় তাদের কাছে থাকা ৫ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায় তারা। ছিনতাইকারীদের সবার মুখ বাঁধা ছিল বলে জানান সোহান।
তিনি বলেন, ছিনতাইকারীরা মাছ ধরার জাল ও হাঁড়ি রেখে গেলেও ভ্যান ও টাকা নিয়ে যায়।
ভ্যান ঘোরাতে গেলে হাতে আঘাতদেবীপুর গ্রামের রুহুল আমিন জানান, দেবীপুর পার হয়ে একটি কালভার্টের কাছে পৌঁছালে দুজন ছিনতাইকারী ভ্যানে উঠে পড়ে। সামনে আরও দুজন বাঁশ নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। তিনি ভ্যান ঘোরানোর চেষ্টা করলে লাঠি দিয়ে তার হাতে আঘাত করা হয়।
পরে তাকে মাঠের মধ্যে নিয়ে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয় এবং সঙ্গে থাকা ৭০০ টাকা নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। তার ডাকাডাকিতে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহ আলম বলেন, শুক্রবার ফজরের আজানের পরপরই বামন্দী-দেবীপুর সড়কে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ছিনতাইকারীরা দুটি পাখিভ্যান ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে।
বামন্দী ক্যাম্পের এসআই জহুরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ছিনতাইকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক