বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণ নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ গুরুত্বারোপ করেন।
বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (আরজেএসসি) এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটি (আইবিএ)-এর কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কমবে নিবন্ধন ও অনুমোদনের জটিলতাবৈঠকে ব্যবসা নিবন্ধন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবা গ্রহণের বিদ্যমান প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় ধাপ ও সময় কমিয়ে উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা কমানো গেলে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে উৎসাহ তৈরি হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি সেবা প্রদান ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও ব্যবহারবান্ধব করতে হবে।
ডিজিটাল ও সমন্বিত সেবায় গুরুত্ববাণিজ্য ও বিনিয়োগসংক্রান্ত সেবাগুলো পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল ও সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। একই সঙ্গে সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি।
বৈঠকে ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর বর্তমান কার্যক্রম, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা এবং সেবা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক