রোববার রাতে মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলাম ছাড়াও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।
রিমান্ডের আবেদন করবে পুলিশতেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান জানিয়েছেন, গাজী নজরুল ইসলামের রিমান্ড চাওয়া হবে। তবে কত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে, তা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জাতীয় সংসদের স্পিকারকে অবহিত করার প্রক্রিয়াও চলছে।
এর আগে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে শেরেবাংলা নগর থানায় নেওয়া হয়েছিল। পরে মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে মরিয়মের মরদেহরোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। বাসসও মরিয়মের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরিয়মকে পাওয়া যায়। তখন দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তার বিছানার ওপর হাতে লেখা একটি চিঠিও পাওয়া যায় বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। সেখানে নিজের দাম্পত্য জীবন ও মানসিক অবস্থার বিষয়ে কিছু কথা লেখা ছিল বলে উল্লেখ করা হয়।
মরিয়মের বাবার দাবি, চলতি বছরের জুনে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তিনি স্বামী ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের সঙ্গে ন্যাম ভবনের ওই বাসায় বসবাস করছিলেন।
মরিয়মের মৃত্যুর কারণ ও মামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স