রায়গঞ্জে মাদকবিরোধী অবস্থানের জেরে হয়রানির অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস পুলিশের

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৫ বিকাল
  • ২৩৬৯ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে মাদক সেবন ও কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে করা মামলার তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের চান্দাইকোনা বাজার এলাকায় মুরগি ব্যবসায়ী আল-আমিনের বিরুদ্ধে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আরেক মুরগি ব্যবসায়ী লিটন শেখ এসব কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে তাঁদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ সেপ্টেম্বর আল-আমিন বাদী হয়ে লিটন শেখের বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় মামলা করেন বলে জানা গেছে।

লিটন শেখের অভিযোগ, এলাকায় মাদক সেবন ও নারীদের নিয়ে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় আল-আমিন তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হন। এরপর তাঁকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

লিটন শেখ বলেন, ‘আমরা কোনো অন্যায় কাজের সঙ্গে জড়িত নই। এলাকায় মাদক সেবন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করাই যেন আমাদের অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং হয়রানি বন্ধের দাবি জানাই।’

তিনি আরও দাবি করেন, আল-আমিনের দোকানের ভেতরে মাদক সেবন ও কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ভিডিওটির সত্যতা এবং এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, এলাকায় মাদকসহ যেকোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো পক্ষ যাতে মিথ্যা মামলা করে কাউকে হয়রানি করতে না পারে, সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে।

অভিযোগের বিষয়ে আল-আমিন বলেন, ‘আমি মামলা করেছি, এটা সত্যি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার দোকানের যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, সেটি অনেক দিনের পুরোনো। ওই ভিডিওতে আমাকে দেখা যায়নি; আমার কর্মচারীকে দেখা গেছে।’

রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানুজ্জামান বলেন, ‘মামলার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। কেউ যদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা করে থাকে, তদন্তে সেটিও বেরিয়ে আসবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এলাকাবাসী ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মাদক ও কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।





কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad