মঙ্গলবার তেঁতুলিয়ায় দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে সোমবার বিকেলে সেখানে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, খোলা মাঠ ও ফাঁকা সড়ক কুয়াশায় ঢাকা। আমনখেতের ধানের পাতায় পাতায় জমে থাকা শিশিরে শীতের আগমনের আবহ তৈরি হয়েছে।
হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে পঞ্চগড়ে সাধারণত দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়। শীত মৌসুমে ভোরের কুয়াশা ও হিমেল বাতাস বদলে দেয় জনপদের স্বাভাবিক চিত্র। তবে এখনো শীতের তীব্রতা না এলেও কুয়াশার উপস্থিতি শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
হোটেল ও রেস্তোরাঁর শ্রমিক মো. মাসুম বলেন, কয়েক দিন ধরে রাতের দিকে বাড়ি ফেরার সময় কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার সকালে কুয়াশা দেখে তাঁর মনে হয়েছে, শীত চলে আসছে।
পঞ্চগড় শহরে ইজিবাইক চালিয়ে আসা মো. সোলেমান আলী বলেন, ভোর থেকে কুয়াশা ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমে যায়। দিনে গরম থাকলেও কয়েক দিন ধরে শেষ রাতে শীত শীত অনুভূত হচ্ছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে তেঁতুলিয়ায় দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে। কয়েক দিন ধরে সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশাও দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, শরৎকালের শুরুতে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা ও নিষ্ক্রিয়তা—দুই ধরনের পরিস্থিতিই দেখা যায়। এ সময় আকাশে দীর্ঘ সময় মেঘ থাকে, আবার কখনো দ্রুত মেঘ সরে যায়। এমন আবহাওয়ায় কুয়াশা দেখা দিতে পারে। কুয়াশার উপস্থিতির মধ্য দিয়ে পঞ্চগড়ের মানুষ শীতের আগমনী বার্তা পাচ্ছেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক