ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে পায়ের চোটের কারণে দুই ইনিংসেই ব্যাটিং করেননি ইমাম। তবে তার চোট নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর বিষয়টি তদন্তে যায়। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে ইমামের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে পিসিবি।
এদিকে ২০২৫ সালের নিউজিল্যান্ড সফরের একটি ঘটনাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ওই সফরে ইনডোর নেট সেশনে ডান পায়ের বুড়ো আঙুলে বল লাগার পর ইমাম চোটের লক্ষণ বাড়িয়ে দেখিয়েছিলেন এবং চিকিৎসকদের বিভ্রান্ত করেছিলেন—এমন অভিযোগে তখনও তদন্ত হয়েছিল।
রিজওয়ানের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তার শৃঙ্খলাজনিত কর্মকাণ্ডে বোর্ডের অসন্তোষ রয়েছে। এ বিষয়ে তাকে তলব করা হতে পারে। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে নিকট ভবিষ্যতে জাতীয় দলের বাইরে থাকতে হতে পারে সাবেক এই অধিনায়ককে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের দল থেকেও বাদ পড়েছেন ইমাম ও রিজওয়ান। তাদের সঙ্গে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে সালমান আলি আগা, উসমান আলি, আমের জামাল, মুহাম্মদ আওয়াইস জাফর ও খুররম শেহজাদকে।
এদিকে পাকিস্তান টেস্ট দলের কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচক প্যানেলের সদস্য মিসবাহ-উল-হকও পদত্যাগ করেছেন। সব মিলিয়ে ইংল্যান্ড সফরের ব্যর্থতার মধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেটে দেখা দিয়েছে ব্যাপক অস্থিরতা।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক