জানা গেছে, স্থানীয় ব্যবসায়ী আমির হোসেনের উদ্যোগে গত ১৬ আগস্ট থেকে দুই মাসের জন্য এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে মেলা তদারকির সঙ্গে আমির হোসেনের সহযোগী হিসেবে বাদল ও বিল্লাল হোসেনের নামও এসেছে।
অভিযোগ রয়েছে, মেলায় প্রবেশের জন্য দর্শনার্থীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে কুপন দেওয়া হচ্ছে। ওই কুপনের মাধ্যমে লটারিতে পুরস্কার জেতার সুযোগও রাখা হয়েছে। মেলা শুরুর দিকে লটারির কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও গত শুক্রবার থেকে তা আবার চালু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে বিমানবন্দরের রানওয়ের ওপর বিভিন্ন ধরনের রাইড ও অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এতে বিমানবন্দরের রানওয়ে ব্যবহারের নিরাপত্তা ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
মেলা আয়োজনের বিষয়ে জানতে চাইলে আয়োজক আমির হোসেন আমার দেশকে বলেন, ‘দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পণ্য বিক্রির জন্য স্টল তৈরি করা হয়েছে। এখানে কোনো অবৈধ কার্যক্রম হয় না।’
কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী আমার দেশকে বলেন, ‘স্থানীয় বিএনপির ১০ জন নেতা মেলা আয়োজনের অনুমতির জন্য আমার কাছে তদবির করেছিলেন। কিন্তু আমি অনুমতি দিইনি।’
এ বিষয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, মেলা আয়োজনের জন্য সিটি করপোরেশন থেকে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। কারা মেলার আয়োজন করছে, সে বিষয়েও সিটি করপোরেশন কিছু জানে না। কেউ অভিযোগ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, মেলা আয়োজনের বিষয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কোনো অনুমতির আবেদন আসেনি।

মোঃ রায়হান চৌধুরী,(নিজস্ব প্রতিবেদক)