বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় চার দিনব্যাপী ৩৮তম জাতীয় বয়সভিত্তিক সাঁতার ও ডাইভিং প্রতিযোগিতা সফলভাবে শেষ হয়েছে। ১১ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতার শেষ দিনে সাঁতারের ২০টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৮টি নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়ে দেশের সাঁতারে নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিয়েছেন তরুণ সাঁতারুরা।
পদক তালিকায় বরাবরের মতো আধিপত্য ধরে রেখেছে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)। প্রতিষ্ঠানটি ৬৬টি স্বর্ণ, ৫৮টি রৌপ্য ও ৫৫টি ব্রোঞ্জ জিতে শীর্ষস্থান অর্জন করে।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নিকলী সুইমিং ক্লাব, কিশোরগঞ্জ। ক্লাবটি ১৪টি স্বর্ণ, ১০টি রৌপ্য ও ১০টি ব্রোঞ্জ পদক লাভ করে। আর মেঘনা মোহনা সুইমিং ক্লাব ১১টি স্বর্ণ, ৫টি রৌপ্য ও ১২টি ব্রোঞ্জ পদক জিতে তৃতীয় স্থান অর্জন করে।
ব্যক্তিগত নৈপুণ্যেও নজর কাড়েন কয়েকজন সাঁতারু। বালক বিভাগের ১৫–১৭ বছর বয়স গ্রুপে মো. আব্দুল আজিম ১১টি স্বর্ণ ও ২টি রৌপ্য পদক জয়ের পাশাপাশি ৭টি নতুন রেকর্ড গড়ে সেরা সাঁতারু নির্বাচিত হন।
অন্যদিকে, বালিকা বিভাগের ১৩–১৪ বছর বয়স গ্রুপে ফাতিহা মাহতাব মাইশা ১০টি স্বর্ণ ও ১টি রৌপ্য পদক জয়ের পাশাপাশি ৪টি নতুন রেকর্ড গড়ে সেরা বালিকা সাঁতারুর স্বীকৃতি অর্জন করেন।
ডাইভিংয়ে বালক বিভাগে সায়েদুল ইসলাম (বিকেএসপি) একটি স্বর্ণপদক জিতে সেরা ডাইভার নির্বাচিত হন। আর বালিকা বিভাগে অর্পা দাস ৩টি স্বর্ণপদক জয়ের পাশাপাশি ১টি নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়ে সেরা ডাইভারের সম্মান অর্জন করেন।
প্রতিযোগিতা শেষে বিকেল ৪টায় আয়োজিত সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের সভাপতি ও নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, ওএসপি, এনপিপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি। তিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এছাড়া নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়া প্রতিটি সাঁতারুকে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হয়।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স