এমবাপ্পে-দেম্বেলের আগুনঝরা ফর্ম, ফ্রান্সের সামনে কঠিন পরীক্ষায় সুইডেন

  • শাহিন রেজা,মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ
  • আপলোড সময় : ৩০ জুন ২০২৬, ০২:৫১ দুপুর
  • ১২৩৮২ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আজ মুখোমুখি হচ্ছে দুই ইউরোপীয় শক্তি ফ্রান্স ও সুইডেন। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৩টায় নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই নকআউট লড়াই। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো একে অপরের বিপক্ষে খেলতে নামছে দল দুটি।

টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে ম্যাচটিতে স্পষ্ট ফেভারিট ফ্রান্স। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই জিতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই সময়ে তারা প্রতিপক্ষের জালে ১০ গোল পাঠিয়েছে, বিপরীতে হজম করেছে মাত্র দুটি। শক্তিশালী আক্রমণভাগ, সৃজনশীল মধ্যমাঠ এবং সংগঠিত রক্ষণ—সব মিলিয়ে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে দিদিয়ের দেশমের দল।

ফ্রান্সের আক্রমণের মূল ভরসা কিলিয়ান এমবাপ্পে। গ্রুপ পর্বে চার গোল করে তিনি রয়েছেন গোল্ডেন বুটের দৌড়ে। তার সঙ্গে সমান চার গোল করে আলো ছড়াচ্ছেন উসমান দেম্বেলে। বিশেষ করে নরওয়ের বিপক্ষে মাত্র ২৫ মিনিটে হ্যাটট্রিক করে নিজের দুর্দান্ত ফর্মের জানান দিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড। এমবাপ্পে-দেম্বেলের গতিময় আক্রমণ সামলানোই হবে সুইডেনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

অন্যদিকে, বাছাইপর্ব থেকেই কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে মূল আসরে এসেছে সুইডেন। গ্রুপ পর্বে একটি জয় ও একটি ড্র নিয়ে তারা নকআউট নিশ্চিত করেছে। যদিও প্রত্যাশিত ছন্দে ছিল না দলটি, তবে বড় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য রয়েছে সুইডিশদের। শক্তিশালী রক্ষণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবলই তাদের প্রধান অস্ত্র। ফ্রান্সের আক্রমণ ঠেকাতে কোচ গ্রাহাম পটার রক্ষণাত্মক ৪-৪-২ ছকে দল সাজাতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সুইডেনের রয়েছে গৌরবময় কিছু স্মৃতি। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে তারা ব্রাজিলের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়। এছাড়া ১৯৫০ ও ১৯৯৪ সালে তৃতীয় স্থান অর্জন করে ইউরোপের অন্যতম সফল দল হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেয়। তাই নকআউট পর্বে সুইডেনকে কখনোই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।

যদিও বিশ্বকাপে এই প্রথম মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল, তবে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ফ্রান্স ও সুইডেন এ পর্যন্ত ২৩ বার একে অপরের বিপক্ষে খেলেছে। সেখানে এগিয়ে ফ্রান্স—১২টি জয় তাদের ঝুলিতে। সুইডেন জিতেছে ৬টি ম্যাচ, আর বাকি ৫টি ড্র হয়েছে।

সব পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ফ্রান্সের পক্ষেই কথা বলছে। তবে নকআউট ফুটবলে এক মুহূর্তের ভুলই বদলে দিতে পারে পুরো ম্যাচের চিত্র। তাই সুইডেন কতটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad