বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয় পক্ষ রাজনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করে।
বৃহস্পতিবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই সমঝোতার মাধ্যমে গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক, জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এর আগে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইক্সিং সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকে লিউ হাইক্সিং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একাধিক চীন সফরের কথা স্মরণ করে বলেন, ২০০১ সালে তার সফরের একটি আলোকচিত্র চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।
লিউ হাইক্সিং বলেন, চীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন প্রচেষ্টার দৃঢ় সমর্থক। পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল নির্মাণে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতেও আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বৈঠকে চীনা মন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে আরও এগিয়ে যাবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।
বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদি আমিন এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
চীনের পক্ষে আন্তর্জাতিক বিভাগের ভাইস মিনিস্টার সান হাইয়ান, ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।
এই সংস্করণটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার রিপোর্টিং স্টাইলে সম্পাদিত, ভাষাগতভাবে পরিশীলিত এবং অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি বাদ দিয়ে সাজানো হয়েছে।

মো. জাকির হোসাইন,স্টাফ রিপোর্টার