তিস্তার পানি নামতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস, বন্যা আতঙ্ক কাটল ১০ হাজার পরিবারের

  • শাহিন রেজা,মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ
  • আপলোড সময় : ২৪ জুন ২০২৬, ০৬:২২ বিকাল
  • ১৩৫৭৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে নেমে আসায় নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কয়েকদিনের টানা পানি বৃদ্ধি ও বন্যা শঙ্কার পর বুধবার সকাল থেকে পানি কমতে শুরু করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আশাবাদ দেখা দিয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে বুধবার সকাল থেকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদী তীরবর্তী এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৫২ দশমিক ১৬ মিটার, যা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। তবে বুধবার সকালে তা কমে বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার নিচে নেমে আসে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।

পানি কমে যাওয়ায় ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়ন এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা স্বস্তি পেয়েছেন।

তবে পানি কমলেও নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষের জানমাল রক্ষায় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এদিকে ভারতের সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তার উজানে দোমোহনী পয়েন্টে মঙ্গলবার দুপুরে পানি বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। অন্যদিকে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছাকাছি ভারতের মেখলিগঞ্জ পয়েন্টে একই সময়ে পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উজানের পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে আগামী কয়েকদিন তিস্তার পানি আরও কমতে পারে। তবে ভারী বৃষ্টিপাত হলে পরিস্থিতি আবারও পরিবর্তিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad