সোমবার (১৯ অক্টোবর) নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে স্ত্রী সারাহর সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করেন আতিফ। ছবিগুলোতে তাঁদের ভ্রমণের স্মৃতি, একসঙ্গে রাতের খাবার খাওয়ার দৃশ্য এবং সেলফি উঠে এসেছে।
পোস্টের ক্যাপশনে আতিফ লেখেন, ‘শুভ সারাহ দিবস, সপ্তাহ ও মাস। তোমাকে উদযাপনের জন্য একটি দিন কখনোই যথেষ্ট হতে পারে না। তোমার শক্তি, তোমার হৃদয় আর তুমি যেমন, তোমার সবকিছুর প্রতিই আমি মুগ্ধ, আমার রানি।’
স্ত্রীর প্রতি এমন প্রকাশ্য ভালোবাসা প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ভক্তদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, ২০১৩ সালে বিয়েসারাহর সঙ্গে আতিফের পরিচয় বহু বছর আগে। সারাহ যখন লাহোরের কিনেয়ার্ড কলেজে পড়াশোনা করতেন, তখন তাঁদের পরিচয় হয়। পরে বন্ধুত্ব থেকে ঘনিষ্ঠতা এবং একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
২০১১ সালের অক্টোবরে বাগ্দান করেন তাঁরা। এরপর ২০১৩ সালের মার্চে পাকিস্তানের লাহোরে বিয়ের মাধ্যমে দাম্পত্যজীবন শুরু করেন এই জুটি।
বর্তমানে তাঁদের পরিবারে তিন সন্তান রয়েছে। দুই ছেলে আবদুল আহাদ ও আরিয়ান এবং মেয়ে হালিমাকে নিয়ে তাঁদের সংসার। ২০২৩ সালের মার্চে জন্ম নেয় তাঁদের মেয়ে হালিমা।
এর আগেও বিভিন্ন সময়ে স্ত্রীকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আতিফ। একবার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেছিলেন, সারাহর সঙ্গে আরও আগে পরিচয় হলে একসঙ্গে আরও অনেক স্মৃতি তৈরি করা সম্ভব হতো।
সংগীতেও জনপ্রিয়তার শীর্ষে আতিফব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি সংগীতাঙ্গনেও নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন আতিফ আসলাম। আবেগঘন কণ্ঠ ও রোমান্টিক গানের জন্য দক্ষিণ এশিয়ার শ্রোতাদের কাছে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়। ‘আদত’, ‘তেরে হোনে লাগা হুঁ’ ও ‘দিল দিয়া গল্লাঁ’র মতো গান তাঁকে বিশেষ পরিচিতি এনে দিয়েছে।
দীর্ঘ ১৮ বছর পর গত ৩১ জুলাই পূর্ণাঙ্গ স্টুডিও অ্যালবাম প্রকাশ করেন আতিফ। ‘সুবাহ আয়ে না’ শিরোনামের অ্যালবামটি নিয়ে সংগীতাঙ্গনে আলোচনার মধ্যেই স্ত্রীর প্রতি তাঁর ভালোবাসার এই প্রকাশ নতুন করে ভক্তদের নজর কেড়েছে।
সংগীতশিল্পী হিসেবে পরিচিতির বাইরে আতিফের ব্যক্তিগত জীবনের এই মুহূর্তগুলো তাঁর ভক্তদের কাছে দাম্পত্যের প্রতি ভালোবাসা ও সম্মানের এক আবেগঘন দিক তুলে ধরেছে।

প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স