সিরাজগঞ্জে চুরি-ডাকাতি ঠেকাতে ২৫০ বাঁশকল, বেলকুচিতে ১৪টি

  • মোঃ জাকির হোসাইন,সম্পাদক
  • আপলোড সময় : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৩ বিকাল
  • ৩৯৪২ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
সিরাজগঞ্জে গরু চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ২৫০টি বাঁশকল স্থাপন করেছে জেলা পুলিশ। এর মধ্যে বেলকুচি উপজেলায় স্থাপন করা হয়েছে ১৪টি বাঁশকল। রাতের বেলায় যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের চলাচল নজরদারির পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী তল্লাশির মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এসব বাঁশকল ব্যবহার করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে বেলকুচি থানা এলাকায় স্থাপিত বিভিন্ন বাঁশকল পরিদর্শন করেন সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার)। এ সময় তিনি দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে টর্চলাইট ও বাঁশি বিতরণ করেন এবং দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

রাতের নিরাপত্তায় নজরদারি

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় গরু চুরি, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং প্রবেশপথে বাঁশকল স্থাপন করা হয়েছে। এসব স্থানে রাতের বেলায় যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তল্লাশির মাধ্যমে অপরাধীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধ প্রতিরোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ২৫০টি বাঁশকলের মধ্যে বেলকুচিতে রয়েছে ১৪টি। এসব স্থানে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

পুলিশ সদস্যদের সতর্ক থাকার নির্দেশ

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং রাতে দায়িত্ব পালনের সময় সতর্কতা অবলম্বন, পারস্পরিক সমন্বয় বজায় রাখা ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড নজরে এলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন। দায়িত্ব পালন সহজ করা এবং নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে তিনি সদস্যদের হাতে টর্চলাইট ও বাঁশি তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেলকুচি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হুমায়ুন কবির, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামানসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা ও বাঁশকলের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা।

জনগণের সহযোগিতায় অপরাধ প্রতিরোধ

জেলা পুলিশের এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো রাতের বেলায় অপরাধীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ, গবাদিপশু চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এ ক্ষেত্রে পুলিশের নিয়মিত তদারকির পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয় সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাঁশকলগুলোতে নিয়মিত নজরদারি, দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের সক্রিয়তা এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা গেলে অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অপরাধসংক্রান্ত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করতে এবং নিজেদের এলাকায় সতর্ক থাকতে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ ও সরবরাহ করা সংবাদবিবরণী।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad