নির্লজ্জতার এক নতুন উদাহরণ দেখা গেল চুয়েটে: সাদিক কায়েম

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৪ দুপুর
  • ২০০৮ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg সাদিক কায়েম
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আপত্তি উপেক্ষা করে উপাচার্য ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন বলে অভিযোগ ডাকসু ভিপির

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য নিয়োগ ও ক্যাম্পাসে তাঁর প্রবেশ নিয়ে সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। নিয়োগ পাওয়া উপাচার্যের বিরুদ্ধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আপত্তি রয়েছে দাবি করে তাঁকে অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে সাদিক কায়েম এসব মন্তব্য করেন।

উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিয়ে অভিযোগ

ফেসবুক পোস্টে সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ পাওয়া উপাচার্য সোমবার সকালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ‘সাধারণ শিক্ষক’ পরিচয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন। এ ঘটনাকে তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবস্থান এবং উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশের বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় নিয়োগের অভিযোগ

পোস্টে সাদিক কায়েম দাবি করেন, গত আট মাসে বিএনপি সরকার ৪৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় বিবেচনায় উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এসব নিয়োগে যোগ্যতার চেয়ে রাজনৈতিক আনুগত্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রলীগ ও প্রশাসনের মধ্যে প্রভাব বিস্তার এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভাগাভাগির চর্চা ছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল একই ধরনের ভূমিকা পালন করছে।

আন্দোলনে সংহতি, অপসারণের দাবি

সাদিক কায়েম তাঁর পোস্টের শেষাংশে চুয়েটে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানান এবং উপাচার্যকে অপসারণের দাবি তোলেন। তাঁর মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রভাব ও স্বার্থের চর্চা উচ্চশিক্ষার পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।

তবে চুয়েটের উপাচার্য, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিংবা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

তথ্যসূত্র: সাদিক কায়েমের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্ট; যুগান্তর প্রতিবেদন, ১২ অক্টোবর ২০২৬।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad