দৌলতখানে ১০৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৩টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ দুপুর
  • ৩৭০৫ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় ১০৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৭৩টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ পদে নিয়োগ না হওয়ায় বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম, তদারকি ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ১০৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ৩৩টিতে প্রধান শিক্ষক রয়েছেন। বাকি বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ২১টিতে চলতি দায়িত্বে এবং ৫২টিতে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে উপজেলায় সহকারী শিক্ষকের ৫৪টি পদও শূন্য রয়েছে। এরই মধ্যে নতুন নিয়োগ পাওয়া ২৫ জন সহকারী শিক্ষক শূন্য পদে যোগদান করেছেন। অন্যদিকে ১০৬টি বিদ্যালয়ের বিপরীতে নৈশপ্রহরী কাম দপ্তরী রয়েছেন ৬৩ জন।

শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়গুলোর দৈনন্দিন দাপ্তরিক কাজ, একাডেমিক তদারকি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় চাপ বাড়ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পদে নিয়োগ বন্ধ থাকায় উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

কয়েকটি বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিনের সংকট

উপজেলার মধ্য হাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ২০ বছর ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম রহমান আজাদ বলেন, দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা ও দায়িত্ব পালনে তাকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

দক্ষিণ জয়নগর শমাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় দেড় যুগ ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল আসমা বলেন, প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।

দৌলতখান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাবেয়া বেগম বলেন, বিদ্যালয়ে ছয়জন শিক্ষকের বিপরীতে বর্তমানে চারজন কর্মরত আছেন। এর ওপর প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় পাঠদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে চরম বিঘ্ন ঘটছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে: শিক্ষা কর্মকর্তা

দৌলতখান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মু. জাহিদ উদ্দিন বলেন, আইনি জটিলতার কারণে এত দিন শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ ছিল। বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুতই প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদগুলো পূরণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad