উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

  • প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৭ দুপুর
  • ৫০৯৬ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গ্রামাঞ্চলের মানুষকে চিকিৎসার জন্য যাতে শহরমুখী হতে না হয়, সে লক্ষ্যেই উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মুহুরী নদীর তীরে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন। একই অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির ফলক উন্মোচন ও নদী খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

পরশুরামের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঘোষণা

অনুষ্ঠানে ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার দাবি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু পরশুরাম নয়, দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে।

এর আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও দেশের ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। উপজেলা পর্যায়ে পেডিয়াট্রিকস, মেডিসিন, সার্জারি ও গাইনি বিভাগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী

পরশুরামের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের ফলক উন্মোচনের পাশাপাশি নদী খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে ঘাটঘর জামে মসজিদের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি গত ১৭ বছরে দেশের মানুষের ওপর নির্যাতন ও দেশের স্থিতিশীলতা নষ্টের চেষ্টার অভিযোগ করেন। অতীতে কলকারখানা বন্ধ হয়ে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জনগণের সমর্থন নিয়ে বিএনপি দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে কাজ করবে উল্লেখ করে তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং নদী-খাল খনন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন।

ব্যাপক জনসমাগম

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও স্থানীয় বিএনপি নেতারা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিকে ঘিরে পরশুরামে ব্যাপক জনসমাগম হয়। ভারী বৃষ্টির মধ্যেও নির্ধারিত প্যান্ডেলের বাইরে মুহুরী নদীর তীর, মডেল স্কুল-সংলগ্ন এলাকা ও ওমরী ব্রিজে মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।

ফুলগাজীতে পরবর্তী কর্মসূচি

পরশুরামের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad