২৬ সেপ্টেম্বর দেখা যাবে ‘হারভেস্ট মুন’, দিগন্তে মিলবে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৪ দুপুর
  • ৫১২৯ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
শরতের প্রথম পূর্ণিমা হিসেবে পরিচিত ‘হারভেস্ট মুন’ দেখা যাবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)। এদিন চাঁদ পৃথিবীর তুলনামূলক কাছাকাছি অবস্থানে থাকবে। ব্রিটিশ গ্রীষ্মকালীন সময় (বিএসটি) অনুযায়ী বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিটে পূর্ণতম অবস্থায় পৌঁছাবে এটি।

বাংলাদেশ, ভারতসহ আশপাশের অঞ্চলে সূর্যাস্তের পর পূর্ব আকাশে দেখা যাবে পূর্ণিমার চাঁদ। দিগন্তের কাছাকাছি ওঠার সময় চাঁদকে স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বড় ও উজ্জ্বল দেখাতে পারে। অনেক সময় হলুদ, কমলা কিংবা লালচে আভাও দেখা যায়।

কৃষিকাজের সঙ্গে ‘হারভেস্ট মুন’-এর ঐতিহাসিক সম্পর্ক

বিবিসির প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ‘হারভেস্ট মুন’ নামটির সঙ্গে কৃষিকাজের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। শরৎ বিষুবের কাছাকাছি সময়ে যে পূর্ণিমা দেখা যায়, সেটিই সাধারণত হারভেস্ট মুন নামে পরিচিত।

অতীতে সূর্যাস্তের পর দীর্ঘ সময় চাঁদের আলো থাকায় কৃষকেরা সন্ধ্যার পরও ফসল কাটার ও ঘরে তোলার কাজ চালিয়ে যেতে পারতেন। সেই ঐতিহ্য থেকেই এই পূর্ণিমার নামের সঙ্গে ফসল কাটার বিষয়টি যুক্ত হয়েছে।

হারভেস্ট মুন প্রতিবছর সেপ্টেম্বরে দেখা যায় না। শরৎ বিষুবের সবচেয়ে কাছাকাছি পূর্ণিমাকেই এই নামে ডাকা হয়। ফলে কোনো কোনো বছর এটি সেপ্টেম্বরে, আবার কোনো বছর অক্টোবরে দেখা যায়। ২০২৬ সালে হারভেস্ট মুন পড়েছে ২৬ সেপ্টেম্বর।

কেন চাঁদকে লালচে বা কমলা দেখায়

চাঁদ ওঠার সময় অনেক ক্ষেত্রে সেটিকে হলুদ, কমলা কিংবা লালচে দেখায়। তবে এটি হারভেস্ট মুনের বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্য নয়। মূলত দিগন্তের কাছে থাকা চাঁদের আলোকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে তুলনামূলক বেশি পথ অতিক্রম করতে হয়।

এ সময় আলোর নীল তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি ছড়িয়ে পড়ে। ফলে হলুদ, কমলা ও লাল রঙের আলো তুলনামূলক বেশি দৃশ্যমান হয়। চাঁদ যত ওপরে ওঠে, তার লালচে আভাও ধীরে ধীরে কমে আসে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad