মাদকবিরোধী তল্লাশির পর তদন্ত ও প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে তাদের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সোমবার রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়।
অভিযুক্ত সবাই একই বিভাগেরঅফিস আদেশ অনুযায়ী, হল থেকে বহিষ্কৃত চার শিক্ষার্থীই ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের। তাদের মধ্যে দুজন ২১ সিরিজ এবং দুজন ২২ সিরিজের শিক্ষার্থী।
এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিম হলে মাদকবিরোধী তল্লাশি চালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ দপ্তর। এ সময় একটি কক্ষে কয়েকজন শিক্ষার্থীর গাঁজা সেবনের অভিযোগ ওঠে। তবে কক্ষ পরিদর্শনে গাঁজা সেবনের দৃশ্যমান কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ওই কক্ষে গাঁজার তীব্র গন্ধ পাওয়া গিয়েছিল।
সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্তঘটনার পর হলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করা হয়। পরে তাদের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
প্রাথমিকভাবে ছয় শিক্ষার্থীর সম্পৃক্ততার কথা জানা গেলেও পরবর্তী তদন্ত ও প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর চারজনের বিরুদ্ধে আবাসিক সিট বাতিল ও হল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। ফলে সিট বাতিল ও হল থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী আরও কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা কমিটির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
তথ্যসূত্র: আমার দেশ অনলাইন; রুয়েট ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের অফিস আদেশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক