সোমবার বিকেলে পৌরসভার উত্তর জনারদন্দী গ্রামে নিহতের বাড়ির সামনে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর ব্যানারে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
যেভাবে হামলার শিকার ইসহাকনিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উত্তর জনারদন্দী গ্রামের নশাই সরদারের ছেলে ইসহাক সরদারের সঙ্গে একই এলাকার ঝালু মোল্লার দীর্ঘদিন ধরে পূর্বশত্রুতা চলছিল।
গত ২২ আগস্ট রাতে পাশের একটি দোকান থেকে একা বাড়ি ফিরছিলেন ইসহাক। পথে আগে থেকে ওত পেতে থাকা ঝালু মোল্লার নেতৃত্বে তুহিন মোল্লা, পারভেজ মোল্লা, রবিউল মোল্লা, লিমন মোল্লাসহ কয়েকজন তাঁর পথরোধ করেন। পরে তাঁরা ইসহাকের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে কুপিয়ে জখম করেন এবং তাঁর দুই পায়ের রগ কেটে দেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ইসহাককে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কালকিনি থানায় হত্যা মামলা করা হয়।
একজন গ্রেপ্তারপুলিশ জানায়, মামলার প্রধান আসামি তুহিন মোল্লাকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মামলার বাকি আসামিরা এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় তাঁদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ করেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন আলাউদ্দিন সরদার, সাবেক কাউন্সিলর ইয়াসমিন খানম, ইসমাইল ও নিহতের মেয়ে ফাহিমা বেগম। বক্তারা বলেন, ইসহাক সরদার হত্যার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে তাঁরা আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, ‘ইসহাক হত্যা মামলার প্রধান আসামি তুহিন মোল্লাকে পলাতক অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য জোর চেষ্টা চলছে।’

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স