পুঁজিবাজারে অর্থ পাচার ঠেকাতে প্রতিরোধ ইউনিট গঠনের নির্দেশ

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৭ বিকাল
  • ১১৯৩৯ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
পুঁজিবাজারে অবৈধ অর্থের প্রবেশ, অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে প্রতিরোধ ইউনিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এ নির্দেশনার আওতায় ট্রেক হোল্ডার, স্টক ডিলার ও ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংক, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, সিকিউরিটিজ কাস্টডিয়ান এবং সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিতে হবে।

সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে পুঁজিবাজারে বেনামে বা ভুয়া নামে হিসাব খোলা কিংবা কোনো ধরনের সেবা দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করতে ‘যথাযথ গ্রাহক পরিচিতি’ (কেওয়াইসি) ও ‘কাস্টমার ডিউ ডিলিজেন্স’ (সিডিডি) যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, গ্রাহকের পরিচয় যাচাইয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধনের মতো সরকারি তথ্যভান্ডার ব্যবহার করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিএফআইইউর ই-কেওয়াইসি নীতিমালাও অনুসরণ করতে হবে।

প্রকৃত সুবিধাভোগী শনাক্ত করতে হবে

প্রতিষ্ঠানগুলোকে গ্রাহকের প্রকৃত সুবিধাভোগী (বেনিফিশিয়াল ওনার) শনাক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো কোম্পানি বা প্রাতিষ্ঠানিক গ্রাহকের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণকারী শেয়ারহোল্ডার কিংবা ২০ শতাংশ বা তার বেশি শেয়ারের মালিক ব্যক্তি কে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

কোনো গ্রাহকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য বা নথি পাওয়া না গেলে তাকে সেবা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে ওই গ্রাহকের বিষয়ে বিএফআইইউতে সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিবেদন (এসটিআর) দাখিল করতে হবে।

প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা

রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি (পিইপি), দেশীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হিসাব খোলার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এ ধরনের গ্রাহকের তহবিলের উৎস যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন নিয়ে তাঁদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। চাকরি থেকে অবসর বা অব্যাহতির পরও অন্তত এক বছর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এই শ্রেণিতে বিবেচনা করতে হবে।

সন্দেহজনক লেনদেনে নজরদারি

প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিতভাবে গ্রাহকের লেনদেন পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কোনো লেনদেনের পেছনে আর্থিক বা দৃশ্যমান বৈধ উদ্দেশ্য না থাকলে তা দ্রুত শনাক্ত করে নির্ধারিত পোর্টালের মাধ্যমে বিএফআইইউকে জানাতে হবে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট রেজোল্যুশন এবং বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ বা তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ব্যক্তি ও সত্তার ওপরও কঠোর নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে। তালিকাভুক্ত কোনো ব্যক্তি বা সত্তার হিসাব পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে লেনদেন বা অর্থ পরিশোধ স্থগিত করে বিএফআইইউকে অবহিত করতে হবে।

এ ছাড়া গ্রাহকের হিসাবসংক্রান্ত সব নথি ও লেনদেনের তথ্য হিসাব বন্ধ হওয়ার তারিখ থেকে অন্তত পাঁচ বছর সংরক্ষণ করতে হবে।

কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট গঠনের নির্দেশ

প্রতিটি পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠানকে অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে নিজস্ব কৌশল ও নীতি প্রণয়ন করতে হবে। প্রধান কার্যালয়ে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ‘কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট’ (সিসিইউ) গঠন করতে হবে।

ওই কর্মকর্তাকে চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার হিসেবে মনোনীত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শাখা পর্যায়ে শাখা পরিপালন কর্মকর্তা নিয়োগ করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রতি তিন মাসে অন্তত একবার প্রধান কার্যালয়




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad