স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৯৯৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মারা গেছে ১০০ শিশু। বাকি ৮৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৫ মার্চ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে সন্দেহজনক রোগী পাওয়া গেছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬১ জন। এ সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৯ হাজার ৮৩৫ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৯৬ জনে।
এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫৯ শিশু। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৫০ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুই শিশুর মধ্যে একজন সিলেট বিভাগের এবং অন্যজন বরিশাল বিভাগের।
একই সময়ে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪১৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৬ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।
ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ মৃত্যুবিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, হামে ও হামের উপসর্গে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে মোট ৪৬৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৬৩ জনের এবং হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ৪০৩ জনের।
এর পরের অবস্থানে রয়েছে সিলেট বিভাগ। সেখানে নিশ্চিত হামে তিনজনসহ মোট ১৫৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রাজশাহী বিভাগে নিশ্চিত হামে তিনজনসহ মোট মৃত্যু হয়েছে ৯৫ জনের।
ময়মনসিংহ বিভাগে নিশ্চিত হামে দুইজনসহ মোট ৭৭ জন, বরিশালে ১৯ জনসহ ৭৬ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১০ জনসহ ৭৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া খুলনা বিভাগে হামের উপসর্গে ৩৭ জন এবং রংপুর বিভাগে ১৪ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক