বাঁধনের দাবি, স্থানীয় একটি পার্কে ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গেলে কয়েকজন ব্যক্তি তার ওপর চড়াও হন। এ সময় তার শরীরে কোক ও ডিম ছোড়া হয় এবং তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়। তার মোবাইল ফোনও ছুড়ে ফেলা হয় বলে জানান তিনি।
অভিনেত্রীর অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বলেন এবং সেই দৃশ্য ভিডিও করেন। এ সময় তাকে গালাগালিও করা হয়। তার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেওয়া হয়েছে বলে জানান বাঁধন।
ভিডিওবার্তায় বাঁধন বলেন, তার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যকেও ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের আচরণ থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ঘটনার বিষয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অবহিত করার অনুরোধও জানান বাঁধন। তিনি বলেন, জয়ও ভেনিসে রয়েছেন এবং বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশা করছেন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে একদল ব্যক্তিকে নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী দাবি করতে দেখা গেছে। ভিডিওতে তারা বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন বাঁধন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে তৎকালীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ওই রাজনৈতিক অবস্থানের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি পাওয়া বাঁধন বর্তমানে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স