র্যাঙ্কিং, গবেষণা ও উন্নয়নে নোবিপ্রবির সাফল্য
উপকূলের অক্সফোর্ড খ্যাত নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনে গত দুই দশক ধরে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। বর্তমানে র্যাঙ্কিং, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজের অবস্থান দৃঢ় করে চলেছে। সম্প্রতি টাইমস হায়ার এডুকেশন (ঞঐঊ) কর্তৃক প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয় (এশিয়া) র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ নোবিপ্রবি ৬০১-৮০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে। এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গৌরবময় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ইতিবাচক অর্জন ও অগ্রগতি যেনো দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রভাব ফেলে, সে লক্ষ্যে দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ অব্যাহত রয়েছে। একটি ভালো র্যাঙ্কিং বলে দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে নিয়মতান্ত্রিকতা, গবেষণা সংস্কৃতি, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং পরিকল্পিত উন্নয়ন বিদ্যমান কিনা। ভালো র্যাঙ্কিং মানে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হওয়া, চাকরির বাজারে প্রোফাইল শক্তিশালী হওয়া এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার পথ খুলে যাওয়া। আজকের বিশ্বে শিক্ষার্থীরা দেশের সীমানায় আটকে নেই; তারা এক দেশে পড়ে আরেক দেশে গবেষণা করে। তাই নোবিপ্রবির র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে র্যাঙ্কিং একটি প্রতিষ্ঠানের গভীরতাও তুলে ধরে। এদিকে ২০২৫ সালে নোবিপ্রবি থেকে স্কোপাস ইনডেক্স জার্নালে ৫৪৯টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে; যা এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে সর্বোচ্চ এবং দেশের অন্যান্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গবেষণা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। ১২টি বিভাগে পিএইচডি চালু করা হয়েছে, আইএসও সার্টিফাইড আধুনিক গবেষণাগার স্থাপন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উদ্যোক্তা তৈরিতে ইনোভেশন হাব গড়ে তোলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তরুণ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও ফেলোশিপে অংশগ্রহণ বাড়ানো হচ্ছে। এসব উদ্যোগ নোবিপ্রবিকে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় অবস্থানে নিয়ে যাবে। সমূহচ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নোবিপ্রবিকে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্লোবাল র্যাঙ্কিংয়ে ৫০০, এশিয়া র্যাঙ্কিংয়ে ৩০০ এবং দেশের শীর্ষ ৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকার মধ্যে নিয়ে আসা, গবেষণা উদ্ভাবনের মাধ্যমে ৫০ পেটেন্ট অর্জন ও প্রয়োগসহ স্কোপাস ইনডেক্স জার্নালে ৫০০০ গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এছাড়াও বর্তমান প্রশাসন বিদেশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করায় গবেষণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারিদের প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৫৬টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের মধ্যে বর্তমান প্রশাসনের সময়েই প্রায় ২৫টি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর ফলে নোবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারছেন। এ সাফল্যের পেছনে বর্তমান প্রশাসনের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা এবং নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের উচ্চশিক্ষায় যুগান্তকারী রূপান্তর আনার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের অধীন একটি প্রকল্প হচ্ছে হিট (হায়ার এডুকেশন এক্সেলারেশন এন্ড ট্রান্সফর্মেশন) প্রজেক্ট। এ প্রকল্পের প্রথম ধাপের মূল্যায়নে প্রকল্প প্রাপ্তিতে দেশের ১৭১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৬ষ্ঠ অবস্থান অর্জন করে নোবিপ্রবি। এ ধাপে ৬টি শিক্ষা ও গবেষণা প্রকল্পে মোট ১৯ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকার অর্থায়ন পেয়েছে নোবিপ্রবি। গবেষণা ও একাডেমিক এক্সিলেন্সে অগ্রগতির অন্যতম কৌশল হলো বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড। যা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মাঝে কাজের উৎসাহ তৈরী করে। তাই বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পরই নোবিপ্রবিতে চালু করেন বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ডিনস্ অ্যাওয়ার্ড, রিসার্চ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড, ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড এবং বেস্ট উইমেন রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড। ভবিষ্যতে নোবিপ্রবিকে একটি বিশ্বমানের গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা হবে। নোবিপ্রবির এসব অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও সকল স্টেকহোল্ডারের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। নোবিপ্রবিকে গবেষণাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে নিতে বিশ্বমানের শিক্ষক ও গবেষকদের আকৃষ্ট করতে কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নোবিপ্রবির অধীনে পেটেন্ট অর্জনের কার্যক্রম চলমান। এ লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্পনকশা ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের কাজ প্রক্রিয়াধীন।
সাম্প্রতিক সময়ে উন্নয়ন প্রকল্পেও ব্যপক সাফল্য অর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রণয়নের অংশ হিসেবে আন্তঃমন্ত্রণালয় প্রোগ্রামিং কমিটির সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নতুন ৪ টি আবাসিক হল নির্মাণসহ বিভিন্ন ভৌত সুবিধা বৃদ্ধির প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি নোবিপ্রবি ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে লবণাক্ততা এবং আয়রন দূরীকরণ কৌশল সংবলিত একটি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এসব প্রকল্পের জন্য প্রায় ৯০০ কোটি টাকার প্রস্তাব প্রাথমিক ধাপ অতিক্রম করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষা ও গবেষণার উপযোগী করতে ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন অপরিহার্য। এডিপিতে প্রকল্পগুলো অন্তর্ভুক্ত হওয়া নোবিপ্রবির জন্য একটি বড় অর্জন। নতুন আবাসিক হল নির্মাণ শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট অনেকটাই দূর করবে। একই সঙ্গে নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে। গতবছর অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় নোবিপ্রবির তৃতীয় একাডেমিক ভবন ও কেন্দ্রীয় গবেষণাগারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের জন্য ৩৩৪ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকার প্রকল্প পাশ হয়। এ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১১ টি উপ-প্রকল্প রয়েছে। এগুলো হলো- একাডেমিক ভবন-৩ ও কেন্দ্রীয় গবেষণাগার নির্মাণ, কেন্দ্রীয় মসজিদের দ্বিতীয় তলা নির্মাণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ নির্মাণ, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির আধুনিকায়ন ও মনিটাইজেশন, ১০০ কেভি বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন স্থাপন, শিক্ষক ও কর্মচারী ভবনে লিফট স্থাপন, ক্যাম্পাসে আন্ডারগ্রাউন্ড বিদ্যুৎ সংযোগ, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয়, ১৫০ কেভি জেনারেটর ক্রয়, পুরো ক্যাম্পাসে এলইডি লাইট স্থাপন এবং অফিস সরঞ্জামাদি, আসবাবপত্র এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ক্রয়।
ইতিমধ্যে বর্তমান প্রশাসন শিক্ষা ও গবেষণায় নোবিপ্রবিকে এগিয়ে নিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে- শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুম বৃদ্ধি, সেমিনাররুম, রিডিংরুম, উচ্চগতিসম্পন্ন ওয়াই-ফাই, ইন্টারনেট ও ল্যাব ফ্যাসিলিটি বৃদ্ধি ইত্যাদি। এছাড়াও যাবতীয় ভৌত-অবকাঠামো উন্নয়নের গতি এগিয়ে নিতে বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ও রিভার্স অসমোসিস প্লান্ট স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য বাস্কেটবল ও ভলিবল কোট স্থাপনসহ অন্যান্য ক্রীড়া সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষকদের পাঠদান ও গবেষণায় একঘেয়েমি দূরীকরণের লক্ষ্যে লন টেনিস কোর্ট স্থাপন এবং ফুটবল টার্ফ স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। আবাসিক হলসমূহে খাবারের মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে মশক নিধনের জন্য পর্যাপ্ত ফগার মেশিন আনয়ন করা হয়েছে। বর্তমান প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ও এলাকাবাসীর জন্য সুলভ মূল্যে উন্নতমানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে নোবিপ্রবি শহিদ মুগ্ধ মেডিকেল সেন্টারের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করেছে। এর অংশ হিসেবে পূবালী ব্যাংকের সহায়তায় নতুন অ্যাম্বুলেন্স সংযোজন, মেডিকেল সেন্টারের আওতায় ডায়াগনস্টিক সেবা চালু এবং অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ক প্রশিক্ষণসহ হলসমূহে ফার্স্ট এইড বক্স প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও প্রায়োগিক জ্ঞান এবং গবেষণাকে সমৃদ্ধ করতে নোবিপ্রবি গ্রন্থাগারে পর্যাপ্ত বই, জার্নাল, ই-বুক, গবেষণাভিত্তিক আর্টিকেল, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ক ইলেকট্রনিক জার্নাল সন্নিবেশ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত সমুদ্র সম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট বাস্তবায়নের কাজ ত্বরান্বিতকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নোবিপ্রবি ময়নাদ্বীপকে দৃষ্টিনন্দন ও পরিযায়ী পাখির অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তোলাসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ভাষা শিক্ষাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক ভাষা ইনস্টিটিউট’। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার অংশ হিসেবে নোবিপ্রবির ইনিস্টটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে।
সাম্প্রতিক উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষ সংকট, ল্যাবরেটরি সমস্যা ও গবেষণা অবকাঠামোর অভাব অনেকটাই দূরীভূত হবে। দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর এ স্বপ্ন পূরণের পথে আমরা অগ্রসর হলাম। নোবিপ্রবির দুঃখ বলে খ্যাত তৃতীয় একাডেমিক ভবন নির্মাণের মাধ্যমে আমাদের দীর্ঘদিনের দুঃখ লাঘব হবে। একই সঙ্গে জ্ঞান, গবেষণা ও শিক্ষার নতুন পরিবেশ তৈরি হবে এবং র্যাঙ্কিং ও গবেষণা অবকাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আসবে। একটি বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক, প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত দিক দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে উন্নয়ন প্রকল্পের কোনো বিকল্প নেই। এরূপ উন্নয়ন প্রকল্প বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে স্থান করে নিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, সাংবাদিক ও এলাকাবাসীদের সম্মিলিত সহযোগিতায় নোবিপ্রবি উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি অর্জন করবে এটাই এখন সকলের প্রত্যাশা।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইসমাইল পিএইচডি, উপাচার্য, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স