রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের বয়স ও কোরআন হিফযের পরিমাণ বিবেচনায় তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।
তিন গ্রুপে প্রতিযোগিতাপ্রতিযোগিতার ‘ক’ গ্রুপে তাজবীদসহ ১০ পারা হিফযে অংশ নিতে পারবেন অনূর্ধ্ব ১২ বছর বয়সীরা। ‘খ’ গ্রুপে তাজবীদসহ ২০ পারা হিফযের জন্য বয়সসীমা অনূর্ধ্ব ১৫ বছর। আর ‘গ’ গ্রুপে তাজবীদসহ পূর্ণ ৩০ পারা হিফযে অংশ নিতে পারবেন অনূর্ধ্ব ১৮ বছর বয়সীরা।
উপজেলা পর্যায় থেকে প্রতিযোগিতা শুরু হবে। সেখানে বিজয়ীরা জেলা পর্যায়ে অংশ নেবেন। জেলা পর্যায়ের বিজয়ীরা বিভাগীয় পর্যায়ে এবং বিভাগীয় পর্যায়ের বিজয়ীরা জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
প্রথম পুরস্কার দুই লাখ টাকাজাতীয় পর্যায়ে প্রতিটি গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জনকারী পাবেন দুই লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দেড় লাখ টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী পাবেন এক লাখ টাকা। অর্থাৎ তিনটি গ্রুপের নয়জন বিজয়ীর জন্য মোট পুরস্কারের অর্থ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বিজয়ীদের অর্থের পাশাপাশি ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হবে। এ ছাড়া জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়েও বিভিন্ন পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নভেম্বরজুড়ে নিবন্ধন, প্রতিযোগিতা শুরু ডিসেম্বরেপ্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহীদের আগামী নভেম্বর মাসজুড়ে নাম নিবন্ধন করতে হবে। এ জন্য দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং জন্মনিবন্ধন সনদ অথবা জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ সাদা কাগজে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। আবেদন করতে হবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট জেলা বা উপজেলা কার্যালয়ে।
আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আর আগামী বছরের এপ্রিল মাসে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আয়োজকদের নির্দেশনা অনুযায়ী, একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিটি গ্রুপে সর্বোচ্চ পাঁচজন প্রতিযোগী অংশ নিতে পারবেন।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট তথ্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ‘নতুন কুঁড়ি জাতীয় হিফযুল কোরআন প্রতিযোগিতা’ আয়োজনসংক্রান্ত প্রকাশিত বিবরণের ভিত্তিতে উপস্থাপিত।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক