আ.লীগ কর্মীর বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষককে পেটানোর অভিযোগ

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ দুপুর
  • ৮৯৫৫ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত
পিরোজপুরের জিয়ানগরে ধার নেওয়া দেড় লাখ টাকা ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভবানীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল আহসান ইব্রাহিমকে (৫৫) মারধরের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের কর্মী মো. মনির হোসেন ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত ওই শিক্ষককে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর গ্রামের গাজীবাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহত শিক্ষকের স্বজনদের দাবি, প্রায় এক বছর আগে জমি বিক্রির পর মনির হোসেন তাঁর কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা ধার নেন। বৃহস্পতিবার ওই টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে মনির তাঁকে বাড়ির সামনে ডেকে নেন। সেখানে গেলে মনির হোসেন ও তাঁর ছেলে লোহার লাইট দিয়ে শিক্ষকের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয় লোকজন আহত শিক্ষককে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তাঁর শারীরিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও আলোচনা

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, মনির হোসেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও পিরোজপুরের সাবেক মেয়র আবদুল মালেক হাওলাদারের পালকপুত্র ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন সময়ে তিনি বিএনপি ও জামায়াতের পরিচয় ব্যবহার করে চলাফেরা করেন বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।

তবে এসব রাজনৈতিক পরিচয়সংক্রান্ত দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযোগ অস্বীকার অভিযুক্তের

শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মনির হোসেন। তাঁর দাবি, তিনি কারও কাছ থেকে কোনো টাকা পান না। প্রথমে তাঁদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়।

জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বাত খান জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad