নিহত মাসুদ মিয়া কুইজবাড়ী গ্রামের লাল মাহমুদের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।
যেভাবে মরদেহ উদ্ধার হয়স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মো. ফরহাদ আলী জানান, ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে স্থানীয় লোকজন রাস্তার পাশে মাসুদের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তাকে খবর দেন। এরপর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
ইউপি সদস্য ফরহাদ আলী আরও বলেন,
"এটি নিঃসন্দেহে একটি হত্যাকাণ্ড। কারণ নিহতের একটি কান কাটা এবং মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।"
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে ঘটনাস্থল থেকে ওই ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, নিহতের শরীরে স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক আলামত ও সুরতহাল দেখে এটি হত্যাকাণ্ড বলেই ধারণা করছে পুলিশ। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার তদন্ত এবং জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক