নগদ মার্জিন নির্ধারণে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ; সুবিধা কার্যকর থাকবে ১৫ মার্চ ২০২৭ পর্যন্তআসন্ন পবিত্র রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে ১১ ধরনের পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে এলসি খোলার সময় নগদ মার্জিনের হার ব্যাংক ও গ্রাহকের সম্পর্ক বিবেচনায় নির্ধারণ করতে পারবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।রোববার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে। দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।যেসব পণ্য আমদানিতে সুবিধাবাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, সয়াবিন ও পাম অয়েল, চিনি, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুর আমদানির ক্ষেত্রে এলসি খোলার নগদ মার্জিন ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা যাবে।সাধারণত এলসি খোলার সময় আমদানিকারককে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নগদ মার্জিন হিসেবে জমা দিতে হয়। নতুন নির্দেশনার ফলে তালিকাভুক্ত পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে এ মার্জিন নির্ধারণে ব্যাংকগুলো নমনীয়তা পাবে।আমদানিকারকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শসার্কুলারে রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে তালিকাভুক্ত পণ্য আমদানির জন্য আমদানিকারকদের এলসি খোলার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। অবিলম্বে কার্যকর হওয়া নির্দেশনাটি আগামী ১৫ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১-এর ৮ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের সার্কুলার।