শিবলি-আব্দুল্লাহর আক্ষেপের দিনে চট্টগ্রাম, রংপুর ও খুলনার জয়
প্রথম দর্পণ, স্পোর্টস ডেক্স||
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:৩৬ সময়
শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় সিলেটকে হারাল চট্টগ্রাম, ৮ উইকেটে জিতল খুলনাজাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) মঙ্গলবার জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম, খুলনা ও রংপুর বিভাগ। তবে দিনের আলোচনায় ছিল চট্টগ্রামের নাটকীয় জয় এবং ঢাকা-বরিশাল ম্যাচে দুই ব্যাটার শিবলি ও আব্দুল্লাহর সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ।সিলেটের বিপক্ষে শেষ দিনে জয়ের জন্য চট্টগ্রামের প্রয়োজন ছিল ১০১ রান। হাতে ছিল ১০ উইকেট। একপর্যায়ে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য বাকি ছিল মাত্র ৪০ রান। কিন্তু এরপরই ঘটে ব্যাটিং বিপর্যয়। মাত্র ২৩ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে চট্টগ্রাম। তবে শেষ উইকেট জুটিতে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দলটি।চট্টগ্রামের জয়ের নায়ক সাদিকুর রহমান। তিনি ঠিক ১০০ রানের ইনিংস খেলেন। চলতি লিগে এটি তাঁর তৃতীয় সেঞ্চুরি। বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন নাসুম আহমেদ। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে শিকার করেছেন আরও ৪ উইকেট।ময়মনসিংহকে হারিয়ে খুলনার জয়খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ময়মনসিংহকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক খুলনা। প্রথম ইনিংসে ময়মনসিংহকে অল্প রানে গুটিয়ে দিয়ে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিল খুলনা। তবে আল আমিনের সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ময়মনসিংহ।শেষ দিন এক উইকেট হাতে নিয়ে ব্যাট করতে নামে ময়মনসিংহ। মাত্র তিন বলের মধ্যে তাদের ইনিংস শেষ হয়ে যায়। ফলে খুলনার সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৪১ রান। সেই লক্ষ্য তাড়ায় এনামুল হক ৮০ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে খুলনা।পঞ্চম রাউন্ডে প্রথম জয়ের দেখা রংপুরেরবর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর অবশেষে চলতি লিগের পঞ্চম রাউন্ডে এসে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে। বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে রাজশাহীকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে তারা।ম্যাচের শেষ দিনে জয়ের জন্য রাজশাহীর বাকি সাত উইকেট তুলে নিতে হতো রংপুরকে। মাত্র ৭৪ রানের মধ্যে সেই সাত উইকেট তুলে নিয়ে রাজশাহীর বড় সংগ্রহ গড়ার সম্ভাবনা শেষ করে দেয় রংপুরের বোলাররা।জয়ের জন্য ১৬০ রানের লক্ষ্য পেয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করে রংপুর। মিম মোসাদ্দেক করেন ৬১ রান। আর রিশাদ হোসেন ৩০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।সেঞ্চুরির আক্ষেপ শিবলি ও আব্দুল্লাহরবৃষ্টির কারণে ঢাকা ও বরিশালের মধ্যকার ম্যাচের প্রথম দুই দিন খেলা না হওয়ায় ড্র অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ম্যাচের শেষ দিনে অপেক্ষা ছিল মূলত ব্যাটার শিবলির সেঞ্চুরির।তবে মাত্র ১ রানের জন্য শতক পূর্ণ করতে পারেননি তিনি। ৯৯ রান করে আউট হন শিবলি। একই দিনে সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও হতাশ হয়েছেন বরিশালের আব্দুল্লাহ। শতরান থেকে মাত্র ৬ রান দূরে থাকতে সাজঘরে ফেরেন তিনি।ফলে জয়-পরাজয়ের নিষ্পত্তি না হলেও দুই ব্যাটারের ব্যক্তিগত মাইলফলক ছোঁয়ার আক্ষেপ নিয়েই শেষ হয় ঢাকা-বরিশাল ম্যাচ।