আমড়া, পেয়ারা, জলপাই ও বরইয়ে ফিরতে পারে খাবারের রুচি; অতিরিক্ত ঝাল ও খালি পেটে টক ফল খাওয়ায় সতর্কতাসর্দি-জ্বরে অনেকেরই মুখের স্বাভাবিক স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। খাবারে অরুচি তৈরি হয়, মুখে লাগে তিতা ভাব। এ সময় কিছু টক ফল খেলে মুখে লালা নিঃসরণ বাড়তে পারে এবং সাময়িকভাবে স্বাদের অস্বস্তি কমতে পারে। আমড়া, পেয়ারা, জলপাই, বরই, জাম্বুরা ও মাল্টা হতে পারে এ সময়ের খাদ্যতালিকায় উপযোগী ফল।যেসব ফল রাখতে পারেন খাদ্যতালিকায়টক স্বাদের ফল মুখের লালা গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে। এতে লালা নিঃসরণ বাড়ে, যা মুখের তিতা ভাব কমাতে এবং খাবারের স্বাদ কিছুটা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করতে পারে।আমড়া ও পেয়ারা ছোট টুকরো করে খাওয়া যায়। জলপাই ও বরইও খেতে পারেন পরিমিত পরিমাণে। অন্যদিকে জাম্বুরা ও মাল্টায় পানির পরিমাণ বেশি থাকায় শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে কিছুটা সহায়তা করতে পারে।টক ফলে ভিটামিন সিও থাকে, যা শরীরের স্বাভাবিক রোগপ্রতিরোধ কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। তবে শুধু এসব ফল খেলেই সর্দি-জ্বর দ্রুত সেরে যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।যেভাবে তৈরি করবেন ফলের মাখাফলগুলো ভালোভাবে ধুয়ে ছোট টুকরো বা কুচি করে নিতে হবে। এরপর স্বাদ অনুযায়ী সামান্য বিট লবণ বা সাধারণ লবণ মেশানো যেতে পারে। চাইলে অল্প কাসুন্দি, পুদিনাপাতা বাটা কিংবা সামান্য গোলমরিচের গুঁড়ো দেওয়া যায়।তবে জ্বরের সময় অতিরিক্ত শুকনো মরিচ বা কাঁচামরিচের ঝাল এড়িয়ে চলা ভালো। এতে কারও কারও গ্যাস্ট্রিক বা পেটের অস্বস্তি বাড়তে পারে।খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতাখালি পেটে অতিরিক্ত টক ফল খেলে অ্যাসিডিটি বা পেটে অস্বস্তি হতে পারে। তাই খাবারের কিছু সময় পর পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।সর্দি-জ্বরের সময় পর্যাপ্ত পানি পান, বিশ্রাম এবং সহজপাচ্য খাবার গ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে, শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে বা অন্য গুরুতর উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।