শৈশবের ক্লাবে ফিরতে পারেন মেসি, লক্ষ্য ২০২৭ সালের জানুয়ারি
প্রথম দর্পণ, স্পোর্টস ডেক্স||
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১১:৪২ সময়
ক্যারিয়ারের শেষ পর্যায়ে এসে জন্মশহরের ক্লাব নিউয়েলস ওল্ড বয়েজে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে আর্জেন্টাইন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির। সবকিছু পরিকল্পনামতো এগোলে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতেই আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকাকে দলে পাওয়ার আশা করছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তবে ইন্টার মিয়ামির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকায় সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।আর্জেন্টিনার রোসারিও শহরের ক্লাব নিউয়েলস ওল্ড বয়েজ মেসিকে ফিরিয়ে আনতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গনসালো কালভিজিওনির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ফুটবলবিষয়ক সংবাদমাধ্যম গোল ডটকম।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসির নিউয়েলস ওল্ড বয়েজে ফেরার সম্ভাবনা আগে কখনো এতটা জোরালো ছিল না। ক্লাবটির কর্মকর্তারা আশাবাদী, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতেই শৈশবের ক্লাবে ফিরতে পারেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।শৈশবের ক্লাবেই ফুটবলের হাতেখড়িমেসির ফুটবলজীবনের শুরু রোসারিওর নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের বয়সভিত্তিক দলে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ২০০০ সালের গ্রীষ্মে পরিবারের সঙ্গে আর্জেন্টিনা ছেড়ে স্পেনে পাড়ি জমান তিনি। এরপর যোগ দেন বার্সেলোনার বিখ্যাত ফুটবল একাডেমি লা মাসিয়ায়। সেখান থেকেই বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এই আর্জেন্টাইন তারকা।তবে পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের মূল দলের হয়ে খেলা হয়নি মেসির। ফলে শৈশবের ক্লাবে তার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন ঘিরে আর্জেন্টিনার ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।প্রত্যাবর্তনে বড় বাধা চুক্তিমেসির নিউয়েলসে ফেরার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হতে পারে ইন্টার মিয়ামির সঙ্গে বর্তমান চুক্তি। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাবটির সঙ্গে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ রয়েছেন তিনি। ফলে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ক্লাব ছাড়ার বিষয়ে মেসি কী সিদ্ধান্ত নেন, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।এদিকে মেসি কিংবা ইন্টার মিয়ামির পক্ষ থেকে সম্ভাব্য এই প্রত্যাবর্তন নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তাই ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে শৈশবের ক্লাবে তার ফেরা শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নেয় কি না, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে সমর্থকদের।তথ্যসূত্র: গোল ডটকম; আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গনসালো কালভিজিওনির প্রতিবেদন।