কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী এলাকায় একটি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ পর্যটকের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ঢাকার চার নারী, চুয়াডাঙ্গার এক নারী ও পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় দগ্ধ ও আহত হয়েছেন আরও ছয়জন।শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ইনানীর ‘টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে’ এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার সময় রিসোর্টের ছয়টি কক্ষে ১৬ জন পর্যটক অবস্থান করছিলেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত ছয়জনের পরিচয় শনাক্তশনাক্ত হওয়া নিহতরা হলেন—ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদ।নিহত বাকি চারজনের পরিচয় সম্পর্কে সরবরাহ করা প্রতিবেদনে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের তিন ইউনিটপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, কাঠের তৈরি রিসোর্টটিতে মোট নয়টি কক্ষ ছিল। শুক্রবার রাতে কয়েকজন পর্যটক চেকআউট করেন। শনিবার সকালে আগুন লাগার সময় বাকি ছয়টি কক্ষে ১৬ জন অবস্থান করছিলেন।আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। বেলা ১১টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।দগ্ধ পাঁচজন হাসপাতালে, একজনকে ছাড়পত্রঅগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ও আহত ছয়জন হলেন—মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তাঁর স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) সবুক্তগীন মাহমুদ সোহেল জানান, দগ্ধ পাঁচজনের শরীরের প্রায় ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পড়ে গিয়ে আহত অপর ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে সরবরাহ করা প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।