ঘুরে দাঁড়াচ্ছে রিজার্ভ
প্রথম দর্পণ, ডেস্ক||
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১০:৩৫ সময়
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও পণ্য রপ্তানির ধারাবাহিকতায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব পদ্ধতিতে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিন শেষে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংকের নিবন্ধিত মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের হালনাগাদ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।এক দিনে বেড়েছে দুই হিসাবেইবাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে এর পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার।১৫ অক্টোবর দিন শেষে দুই হিসাবেই রিজার্ভ বেড়েছে। নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী বৃদ্ধি পেয়েছে ১১ কোটি ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে বেড়েছে ১২ কোটি ডলার।অক্টোবরজুড়েই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, অক্টোবরের শুরু থেকেই রিজার্ভে ওঠানামার মধ্যেও সামগ্রিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রয়েছে।গত ১১ অক্টোবর নিজস্ব হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ছিল ৩১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার। ৮ অক্টোবর এই দুই হিসাবের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৩৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ও ৩১ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার। ৭ অক্টোবর ছিল ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন ও ৩১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে এর পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার।সেপ্টেম্বরে রিজার্ভ ছিল আরও বেশিসেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রিজার্ভের পরিমাণ বর্তমানের কাছাকাছি বা কিছুটা বেশি ছিল। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিজস্ব হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ৩১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।১৬ সেপ্টেম্বর এই দুই হিসাবের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৩৬ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ও ৩১ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার। ১০ সেপ্টেম্বর ছিল ৩৬ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ও ৩১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। আর ৮ সেপ্টেম্বর নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ৩৬ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ৩১ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার।রিজার্ভের এই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বাড়লেও সেপ্টেম্বরের কিছু দিনের তুলনায় তা এখনো কম। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও রিজার্ভের স্থায়িত্ব নির্ভর করে আমদানি ব্যয়সহ বৈদেশিক মুদ্রার আয়-ব্যয়ের সামগ্রিক ভারসাম্যের ওপর।তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে।