সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, শ্রমবাজার সম্প্রসারণ এবং দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন এবং ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হুমুদি।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।ট্যাক্সি ও ট্রাক চালকদের কর্মসংস্থানে গুরুত্ববৈঠকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ট্যাক্সি ও ট্রাক চালকের পেশায় কাজের সুযোগ সৃষ্টি এবং দেশটিতে আরও বেশি দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগবৈঠকে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ঐতিহাসিক ভিত্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়। দুই দেশের সম্পর্ক সুসংহত করতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথাও স্মরণ করা হয়।এ সময় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের বৈঠকের প্রসঙ্গ উঠে আসে। ওই আলোচনার ধারাবাহিকতায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।এ ছাড়া বাংলাদেশ ও আমিরাতের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশে আমিরাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদার এবং অবকাঠামো ও শিল্প খাতে নতুন সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে সহযোগিতা বাড়িয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার ওপর জোর দেওয়া হয়।