উল্লাপাড়ায় ঘোল-মাঠা ও শিশু খাদ্যের দোকানে অভিযান, জরিমানা ২ লাখ ৪০ হাজার টাকাউল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিসিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ঘোল, মাঠা, দই ও ঘি তৈরির কারখানা এবং শিশু খাদ্যের দোকানে যৌথ অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, লেবেলবিহীন পণ্য ও রাসায়নিক ব্যবহার এবং নকল ও লেবেলবিহীন শিশু খাদ্য বিক্রির দায়ে এসব জরিমানা করা হয়।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন, জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।ঘোল-মাঠার কারখানায় ২ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানাউপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলামের নেতৃত্বে সলপ এলাকায় ঘোল ও মাঠার কারখানায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে লেবেলবিহীন মাঠা, ঘোল, ঘি ও দই উৎপাদন এবং লেবেলবিহীন রাসায়নিক ব্যবহারের বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়া যায়।এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে সলপ ঘোল অ্যান্ড সাদেক খান দই ঘরের মালিক মো. আব্দুল মালেক খানকে ৫০ হাজার টাকা, সলপ দই ঘরের মালিক আব্দুল খালেক খানকে ৫০ হাজার টাকা এবং সলপ মাঠা ঘোল দই ঘরের মালিক মো. আব্দুর রাজ্জাককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এ ছাড়া নিরাপদ খাদ্য আইনে সলপ কাশেম ঘোল মাঠা দই অ্যান্ড মিষ্টান্ন ভাণ্ডারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সব মিলিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানে জরিমানা করা হয় ২ লাখ ১০ হাজার টাকা।অভিযানে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা গৌতম কুমার সাহার উপস্থিতিতে মিল্ক অ্যানালাইজারের মাধ্যমে দুধের বিশুদ্ধতা ও মান পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় দুধে ফ্যাটের পরিমাণ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে কম পাওয়া যায়।শিশু খাদ্যের দোকানেও জরিমানাঅন্যদিকে, উল্লাপাড়া বাজারে সিরাজগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখের নেতৃত্বে শিশু খাদ্যের দোকানে অভিযান চালানো হয়।নকল ও লেবেলবিহীন শিশু খাদ্য বিক্রির দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে মেসার্স শফিকুল স্টোরের মালিক শফিকুল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা এবং মেসার্স শরিফ স্টোরের মালিক শরিফুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এ সময় বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতিও তদারকি করা হয়।অভিযানে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা, উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং উল্লাপাড়া মডেল থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।তথ্যসূত্র: স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ৮ অক্টোবর ২০২৬।