জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে লিটারপ্রতি সর্বোচ্চ ২০ টাকা বাড়ানোর পর রাজধানীতে পেট্রোল পাম্পগুলোতে যানবাহনের ভিড় কমেছে। একই সঙ্গে আগের বাজেট ঠিক রাখতে তেলের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছেন মোটরসাইকেলসহ ব্যক্তিগত যানবাহনের চালকেরা। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে তেল কেনার ক্ষেত্রে হিসাব-নিকাশের প্রবণতা বেড়েছে। এ নিয়ে স্বল্প আয়ের মানুষ ও পরিবহনসংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষও দেখা দিয়েছে।মঙ্গলবার রাজধানীর মৎস্য ভবনসংলগ্ন রমনা পেট্রোল পাম্পসহ কয়েকটি পাম্প ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। পাম্পকর্মীদের ভাষ্য, দাম বাড়ানোর পর গত দুই দিনে তেলের বিক্রি কমেছে। যারা তেল নিতে আসছেন, তাদের অনেকেই আগের তুলনায় কম পরিমাণে তেল কিনছেন।রমনা পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী জাফর আহমেদ বলেন, ‘আগে দিনে ৫ লিটার অকটেন নিতাম। দাম বাড়ানোর পর গত দুদিন ধরে তার চেয়ে কম পরিমাণ কিনতে হচ্ছে। বাজেট ঠিক রাখতে পরিমাণে কম কিনে হিসাব করে চলতে হচ্ছে।’জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনযাত্রায়। আগে থেকেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে চাপে থাকা সাধারণ মানুষের ব্যয় এবার আরও বেড়েছে। ফলে অনেকেই প্রয়োজনীয় তেলের পরিমাণ কমিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন।কমেছে মোটরসাইকেল চালকদের উপস্থিতিমগবাজারের যমুনা মইন মোটর পাম্পের কর্মচারী নূর আলম বলেন, শুধু যানবাহনের ভিড়ই কমেনি, তেলের বিক্রিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যারা তেল নিতে আসছেন, তারাও আগের তুলনায় কম পরিমাণে কিনছেন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকেরা হিসাব করে তেল নিচ্ছেন।তিনি বলেন, প্রাইভেটকার, জিপ ও মাইক্রোবাসের চালকেরা সংখ্যায় কম এলেও তারা আগের মতো প্রায় একই পরিমাণ তেল নিচ্ছেন।রাইড শেয়ারিং করা মোটরসাইকেল চালক আরিফ হোসেন বলেন, ‘আগে ২০০ টাকার তেল নিতাম। এখনও সেই পরিমাণ টাকার তেল নিলে লিটারের হিসাবে কম পাব। এ কারণে টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে ৩০০ টাকার তেল নিতে হচ্ছে। কিন্তু যাত্রীরা তো বেশি ভাড়া দিতে রাজি হবেন না বা হচ্ছেনও না। ফলে হিসাব মেলাতে গিয়ে হ