মরুল ইসলাম নামের এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে সাবেক যুবলীগ নেতা ও বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মীর আবু সাঈদের বিরুদ্ধশুক্রবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে শহরের ভায়না মোড় এলাকার একটি করাতকলের (স মিল) সামনে এ ঘটনা ঘটে।এ ঘটনার একটি অডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। বিকেলে পুলিশ মীর সাঈদকে ধরতে তার বাসভবনে অভিযান চালিয়েছে।অডিও সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় পুলিশ সদস্য কামরুল ইসলাম সেখানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দোতলা ভবন থেকে মীর আবু সাঈদ জানতে চান, সেখানে কে বসে আছেন। জবাবে কামরুল নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। পরিচয় দেওয়ার পরও আবু সাঈদ নিচে এসে পুলিশ সদস্য কামরুল ইসলামকে গালিগালাজ করেন এবং একপর্যায়ে তাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। পরে বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে কামরুলের কাছে ক্ষমা চান ।ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। পরিচয় দেওয়ার পরও একজন পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার অভিযোগকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের মর্যাদা ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে একটি গুরুতর বিষয় হিসেবে দেখছেন অনেকে।তবে অভিযোগের বিষয়ে মীর আবু সাঈদ হোয়াটসঅ্যাপে জানান, ঘটনাটি মিথ্যা এবং এর কোনো প্রমাণ নেই। তবে অডিও ভাইরাল হওয়ার বিষয়টি জানালে তিনি নিউজ না করার অনুরোধ জানান।জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুর রহমান খান পিকুল জানান, ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে নানা প্রতিক্রিয়ার কথা শোনা যাচ্ছে।এ বিষয়ে মাগুরার তৎকালীন পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে জানান, বিষয়টি জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অভিযুক্ত মীর আবু সাঈদ ১৮টি মামলার আসামি। ৪১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি হয়েও তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন। জেলা পুলিশের তালিকায় তিনি ১ নম্বর শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত