গাইবান্ধায় সার ডিলার নিয়োগে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। জেলার সাত উপজেলায় ৮৫টি ডিলার ইউনিটের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১ হাজার ১৭৬টি। ফলে গড়ে প্রতিটি ইউনিটের বিপরীতে আবেদন পড়েছে প্রায় ১৪টি।গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়—২৫১টি। এছাড়া গাইবান্ধা সদরে ২৩১টি, গোবিন্দগঞ্জে ১৮৩টি, সাদুল্লাপুরে ১৫৪টি, সাঘাটায় ১৩১টি, ফুলছড়িতে ১১৫টি এবং পলাশবাড়ীতে ১১১টি আবেদন জমা পড়েছে।নতুন ৮৫টি ডিলার ইউনিটে নিয়োগের বিপরীতে বিপুলসংখ্যক আবেদন পড়ায় প্রতিটি ইউনিটে একাধিক আবেদনকারীর মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের যোগ্যতা যাচাই, মাঠপর্যায়ের তদন্ত এবং নীতিমালা অনুসরণ করে চূড়ান্ত নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সংশ্লিষ্টদের মতে, সার ডিলারশিপে বিপুল আগ্রহের পেছনে ব্যবসায়িক সম্ভাবনাও একটি কারণ হতে পারে। তবে একজন ডিলার বছরে কী পরিমাণ সার বরাদ্দ পান, তা বিক্রির মাধ্যমে কী পরিমাণ ব্যবসা হয় এবং পরিবহন, গুদাম ও শ্রমিকসহ অন্যান্য ব্যয় বাদ দিয়ে প্রকৃত মুনাফা কত—এসব তথ্য প্রকাশ্যে না থাকায় এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না।নতুন ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর যোগ্যতা, নির্ধারিত স্থানে গুদাম ও ব্যবসা পরিচালনার সক্ষমতা, কৃষকদের কাছে সার সরবরাহের বাস্তব সামর্থ্য এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় মাঠপর্যায়ের তদন্তে যাচাই করার কথা। আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় যাচাই-বাছাইয়ের গুরুত্বও বেড়েছে।এ বিষয়ে গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আবেদন গ্রহণের কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী আবেদনকারীদের বিষয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত চলছে। নীতিমালা অনুসরণ করেই পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।তথ্যসূত্র: গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর